শান্তি বাহিনীর উত্তরসূরীরা আজ প্রশাসনকে হুমকি দেয়- রাব্বি

1

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ   আজ ৪ এপ্রিল গনহত্যা দিবস। এই দিনেই পাকসেনারা বন্দরে দুই দিক থেকে প্রবেশ করে সিরাজদৌল্লাহ ক্লাব মাঠে ৫৪ জনকে হাজির করে ব্রাশ ফায়ার করে পরে আশপাশের বাড়ী থেকে কাপর এনে গান পাউডার দিয়ে জ¦ালিয়ে গনহত্যা করে গনকবর দিয়েছিল। আজ সেই স্থানে দাড়িয়ে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধাসহ প্রতিজ্ঞা করতে চাই বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান যেমন বাংলাদেশ চেয়েছিলেন আমরা সেই বাংলাদেশ চাই।

বৃহস্পতিবার (৪ এপ্রিল ) বিকেলে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের উদ্যোগে বিনম্র শ্রদ্ধায় ৭১’র গণহত্যা দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভায় প্রধাণ উদ্বোধক হিসেবে তিনি এসব কথা বলেন

তিনি আরো বলেন,স্বাধীণতার এত বছর পরও আমরা প্রকৃত স্বাধীণতার অধিকার আমরা পাই নাই। আমরা পশ্চিমাদের বিতারিত করেছি,আমরা মানচিত্র পেয়েছি,একটি ভূখন্ড পেয়েছি,আমরা জাতীয় সঙ্গীত গাইছি। কিন্তু প্রকৃত স্বাধীণতা কাকে বলে? যদি মানুষের বেচে থাকার নিরাপত্তা না থাকে। নিশ্চয়তা না থাকে। তাহলে তাকে স্বাধীণতা বলার কোন কারন নাই। সেজন্যই উচ্চারণ করতে হয় পূর্ণ স্বাধীণতা মিলল কই। এখনও আমাদের আতংকে দিন যাপন করতে হয়। নারায়ণগঞ্জে এখনও স্বাধীণতা বিরোধী রাজাকারদের সেই শান্তি বাহিনীর উত্তরসূরীরা বীরদর্পে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নেতৃত্ব দেয়। তারা হুমকি দেয় বিভিন্ন প্রশাসনকে। তারা হুমকি দেয় মুক্তিযুদ্ধের পক্ষের মানুষদের। তাদের মূখে স্বাধীণতার কথা শুনা যায়। এটা আমাদের কাছে খুবই লজ্জার। রাজাকারের উত্তর সূরীরা আজ স্বাধীনতার দোহাই দিয়ে সামনে এগিয়ে আসতে চায়। পুলিশকে হুমকি স্বরুপ আল্টিমেটাম দেয়। স্বাধীনতার এত বছরেও আমরা প্রকৃত স্বাধীনতা পাই নাই।

নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি এড.জিয়াউল হক কাজলের সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক আবদুর রহমান, বাসদ নারায়ণগঞ্জ জেলা সমন্বয়ক নিখিল দাস,গণ সংহতি নেতা তরিকুল সুজন,নারায়ণগঞ্জ সমমনার সভাপতি দুলাল সাহা,ওয়াকার্স পার্টি জেলা শাখার সভাপতি হাফিজুর রহমান,ন্যাপ নারায়ণগঞ্জ জেলা শাখার সভাপতি আওলাদ হোসেন, বাংলাদেশ ন্যাপ নারায়ণগঞ্জ শাখার সভাপতি এড.আওলাদ হোসেন,নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সাধারন সম্পাদক আব্দুর রহমান,বন্দর গনহত্যা দিবস উদযাপন কমিটির সাধারন সম্পাদক ইউসুফ ভূইয়া ননী,নাগরিক কমিটির বন্দর শাখার সাধারন সম্পাদক একেএম শাহআলম প্রমূখ।

আলোচনা পূর্বক বিভিন্ন সংগঠন ও শহীদ পরিবারের সদস্যরা শহীদদের স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পার্ঘ অর্পণ শ্রদ্ধা নিবেদন করা হয়।

1