নারায়ণগঞ্জে শান্তির দূত পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদ

0

এস এম ইকবাল রুমী, ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম: অপরাধীদের স্বর্গরাজ্য বলে দেশবাসির কাছে পরিচিত নারায়ণগঞ্জ। একটি ঘটনার রেশ না কাটতেই আরেকটি ঘটনার জন্ম হয়। ক্ষমতাশীলদের চোখের ইশারায় ধামাচাপা পড়ে যায় বড় বড় অপরাধগুলি, তাই অপরাধীরা নারায়ণগঞ্জকে শান্তির শহর হিসেবে বসবাস করে আসছে বহুকাল ধরে। যারপরনায়, নারায়ণগঞ্জের নাম শুনলে অনান্য জেলার লোকেরাও আতকে উঠে।

বিগত দিনগুলিতে নারায়ণগঞ্জে অনেক বড় বড় অপরাধ হয়েছে। এই জেলায় অপরাধের মধ্য দিয়ে রাতারাতি কে বা কারা কোটি কোটি টাকার মালিক হয়েছে তাদের নাম সকল স্তরের মানুষ থেকে শুরু করে প্রশাসনের উচ্চ পদস্থ কর্মকর্তাদের মুখস্থ থাকলেও অশুভ শক্তির বলে তারা বরাবর ঐ রয়েছে বহাল তবিয়তে। মাদক ব্যবসা, ভূমি দস্যূতা, চাঁদাবাজী, টেন্ডারবাজী, জুট সেক্টর নিয়ন্ত্রন সহ নানা অপরাধের মধ্য দিয়ে অনেকেই আজ কোটিপতি, তাদের অবৈধ অর্থের দাপটের কাছে জেলা প্রশাসনও বিগত দিনগুলিতে নীরবতা পালন করলেও পুলিশ সুপার হারুন-অর-রশিদ জেলায় যোগদান করে অপরাধীদের বিরুদ্ধে হুঙ্কার দিলে, প্রথমে অনেকেই মনে করেছিল, তিনি বোধ হয় বিগত দিনের উধ্বতন কর্মকর্তাদের মতই হাক ডাক পিটিয়ে দায়িত্ব কাল শেষ করে যাবে। কিন্তু না, পুলিশ সুপার হারুন-অর-রশিদ গত ডিসেম্বর মাসে যোগদান করার পর পুলিশ সুপার মাদক মুক্ত সন্ত্রান মুক্ত ভূমিদস্যূতা ও শহরের যানজট মুক্তসহ শান্তির নারায়ণগঞ্জ করার যে ঘোষণা দিয়েছিল, তার সফল জেলাবাসি পেতে শুরু করেছে। তিনি ইতমধ্যে প্রমান করেছেন, অপরাধী সে যেই হউক আইনের আওতায় তাকে আসতে হবে। পুলিশ সুপারের প্রতিদিনের পদক্ষেপ জেলা বাসির মাঝে ক্রমেই সস্থি ফিরে আসলেও বিগত দিনের অধরা অপরাধীদের ভীত নড়ে উঠেছে। গত চার মাসে বেশ কিছু ক্ষমতাধরকে গ্রেফতার করে আইনের আওতায় এনে পুলিশ সুপার প্রমান করেছে অপরাধীদের দিন ফুরিয়ে এসেছে। অপরাধ করে এখন আর কেউ পার পাবে না। জেলার কট্রর সমালোচকরাও পুলিশ সুপারের কার্যক্রমকে সাধুবাদ জানিয়েছে। সকল মহলেই পুলিশ সুপারের চলমান কার্যক্রম নিয়ে যেমন আলোচনার ঝড় বইছে, তেমনি অনেকেই বলতে শুরু করেছে দেরীতে হলেও নারায়ণগঞ্জে শান্তির দূত হিসেবে পুলিশ সুপার হারুন অর রশিদের আগমনে এবং তার কর্মকন্ডে নারায়ণগঞ্জের ললাটে যে কলংঙ্কের কালিমা লেপন হয়েছিল তা অচিরেই হয়তো মোছন হয়ে যাবে।

0