ফের হকার ইস্যুতে উত্তেজনা

1

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ নগরবাসী ফাঁকা ফুটপাত পেয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেন। বেশিরভাগ হকাররাও বুঝতে পারেন মূলত ফুটপাত দখল করার কারণেই নগরীতে যানজট ছড়িয়ে পড়ে, ছিনতাইকারী, পকেটমারের উপদ্রব বাড়ে। এছাড়া পুরো নগরে একটি বিশৃঙ্খল পরিস্থিতি তৈরি হয়। যার দরুণ হকাররা পুলিশ সুপারের এসব গৃহিত কার্যক্রম শান্তির্পূণভাবে মেনে নিয়েছিলেন। পুলিশ সুপার এসব হকারদের জন্য পুনর্বাসনের জন্য বিভিন্ন জায়গায় কথা বলবেন বলেও বক্তব্যে জানায়। এতে অনেকটা স্বস্তিতে ছিলেন হকাররা। প্রায় ১ মাস পর অদৃশ্য কোথাকার ইঙ্গিত পেয়ে হকারদের সাথে নিয়ে ঘোলা পানিতে আবারো মাছ শিকারে নেমেছেন হাফিজুল ইসলাম, হকার্স লীগ নেতা রহিম মুন্সী এবং আসাদ। গেলো সপ্তাহে শামীম ওসমানের সাথে দেখা করার কথা বলে হকারদের জড়ো হতে বলেছিলেন শহীদ মিনারে। কিন্তু এমপি শামীম ওসমানও জনগণের স্বার্থ বিবেচনা করে হকারদের সাথে দেখা করেননি। কিন্তু পানি ঘোলা ছাড়া বাড়ি ফিরতে নারাজ হাফিজ, রহিম ও আসাদ।

এরআগেও পানি ঘোলা করে জেলা প্রশাসকের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছিলো তারা তিনজন। কিন্তু আগের জেলা প্রশাসক তাতে কান দেননি। নতুন জেলা প্রশাসকের কাছেও আগের মতোই স্মারকলিপি দেয়ার মূল নাটের গুরু তারা তিনজন। তাদের নেতৃত্বে বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ১১টায় চাষাঢ়া কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে বিক্ষোভ সমাবেশ করা হয়। সমাবেশ শেষে জেলা প্রশাসকের কাছে তারা একটি স্মারকলিপি জমা দেয়। সমাবেশ চলাকালে ও স্মারক লিপি জমা দিতে লিংক রোড হয়ে যাবার সময় অনেকেই এসব আয়োজনের নাটের গুরু হিসেবে হাফিজুল ইসলামের দিকেই আঙ্গুল তোলেন। জমা দেয়া স্মারকলিপিতে হকাররা বিকেল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত সড়কের ফুটপাতে বসার অনুমতি প্রার্থনা করেছেন।

বৃহস্পতিবার (১১ জুলাই) সকাল ১১টায় চাষাড়ায় শহীদ মিনারে বিক্ষোভ সমাবেশের আয়োজন করে হকাররা। জেলা হকার সংগ্রাম পরিষদের ব্যানারে অনুষ্ঠিত এই সমাবেশে জেলা কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্টের সাধারণ সম্পাদক জাহাঙ্গীর আলম গোলক, শ্রমিক নেতা এমএ শাহীন, বিমল কান্তি দাসসহ বাম জোটের বেশ কয়েকজন নেতাও উপস্থিত ছিলেন। এ সময় বক্তারা বিকেল ৫টা থেকে রাত ৯টা পর্যন্ত বঙ্গবন্ধু সড়কের দুই পাশের ফুটপাতে হকারদের বসানোর দাবি জানান।

সমাবেশ শেষে শতাধিক হকারদের একটি মিছিল নিয়ে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংক রোড হয়ে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে জড়ো হয়। পরে হকার নেতা রহিম মুন্সি, আসাদুল ইসলাম ও বাম নেতা হাফিজুল ইসলামের নেতৃত্বে হকারদের একটি প্রতিনিধি দল জেলা প্রশাসকের কাছে একই দাবিতে একটি স্মারকলিপি জমা দেন।

1