আজমেরী ওসমানের নেতৃত্বে ১১ জন ত্বকীকে হত্যা করেছে- রাব্বি

1

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব রফিউর রাব্বী বলেছেন, কি কারণে আজকে ত্বকী ঘাতকেরা ক্ষিপ্ত হয়েছে। ক্ষিপ্ত হয়েছে এজন্য যে, তাদের ধারণা হচ্ছে তারা খুন করবে, চাঁদাবাজী করবে, সন্ত্রাস করবে, মাদকের ব্যবসা করবে, আইন তাদের ছুবে কেনো। তাদের চেলাচামুন্ডা যারা আইন তাদের ধরবে কেনো। যখন তারা ধরা পড়ছে দু’চার জায়গায় তখনই তারা ক্ষিপ্ত হয়ে উঠছে।

রোববার রাতে শহরের ডিআইটি বাণিজ্যিক এলাকার আলী আহম্মদ চুনকা পাঠাগার প্রাঙ্গনে তানভীর মুহাম্মদ ত্বকী হত্যার চিহ্নিত আসামিদের গ্রেফতার ও বিচার দাবিতে নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের মানববন্ধনে তিনি এসব কথা বলেন। এসময় হত্যার বিচার দাবিতে মাসিক কর্মসূচির অংশ হিসেবে মোম শিখা প্রজ্জলন করা হয়।

তিনি আরো বলেন, আমরা দাবি জানাচ্ছি ত্বকী হত্যার মূল অভিযুক্ত, তদন্তকারী সংস্থা র্যাবের তদন্তে প্রমাণিত এ আজমেরী ওসমানের নেতৃত্বে এগারো জন হত্যা করেছে। র্যাব তা বলেছে। আমরা এ আজমেরী ওসমানকে গ্রেফতার করার ও তার ১৬৪ ধারা জবানবন্দী গ্রহণের দাবি জানাচ্ছি। দুইদিন আগে ত্বকীর ঘাতক আজমেরী ওসমান কালীরবাজারে একজন ব্যবসায়ীর কাছে ৬৫ হাজার টাকা চাঁদা আদায় করতে গিয়ে তা না পেয়ে তাকে মারধরের জন্য পুলিশ তাকে গ্রেফতারে অভিযান চালিয়েছে। তাকে খুঁজে বেড়াচ্ছে আর সে পালিয়ে বেড়াচ্ছে। অথচ ত্বকী হত্যার অভিযোগে অভিযুক্ত গুরুতর অপরাধে তাকে ধরা হচ্ছে না, শাস্তি দেওয়া হচ্ছে না।

নারায়ণগঞ্জ সাংস্কৃতিক জোটের সভাপতি ভবানী শংকর রায়ের সভাপতিত্ব ও সাধারণ সম্পাদক শাহীন মাহমুদের সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাবের সভাপতি মাহবুবুর রহমান মাসুম, নারায়ণগঞ্জ খেলাঘর আসরের সভাপতি রথিন চক্রবর্তী, নারায়ণগঞ্জ নাগরিক কমিটির সাধারণ সম্পাদক আব্দুর রহমান, বাংলাদেশ কমিউনিস্ট পার্টি সিপিবি নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি হাফিজুল ইসলাম, ওয়াকার্স পার্টি জেলার সেক্রেটারী হিমাংশু সাহা প্রমুখ।

প্রসঙ্গত ২০১৩ সালের ৬ মার্চ বিকেলে ত্বকী শহরের শায়েস্তাখান সড়কের বাসা থেকে বের হয়ে আর ফেরেনি। পরে ৮ মার্চ সকালে চাড়ারগোপে শীতলক্ষ্যা নদীর তীরে তার মরদেহ পাওয়া যায়। ত্বকী হত্যা মামলার আসামিদের মধ্যে ৮জনই পলাতক। আর ঘটনার সঙ্গে জড়িত সন্ধেহে ৫জনকে গ্রেপ্তার করা হয়। তাদের মধ্যে দুইজন আসামি ইউসুফ হোসেন লিটন ও সুলতান শওকত ভ্রমর স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। কিন্তু এ হত্যাকান্ডের ৬ বছর অতিবাহিত হলেও এখনও পর্যন্ত এ মামলার অভিযোগ পত্র দেয়া হয়নি।

1