আমলারা পোপের চেয়ে বড় ক্যাথলিক —এ্যাডভোকেট তৈমূর আলম খন্দকার

1

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ বিস্মিল্লাহির রাহ্মানির রাহিম। ১২ই আগস্ট ২০১৯ ইং হজ্জব্রত পালন উপলক্ষে পবিত্র মক্কা নগরীতে থাকাবস্থায় ড. মীজানুর রহমান শেলীর মৃত্যু সংবাদ পাই। সে দিন বাংলাদেশে ঈদুল আজহার দিন (কোরবানীর ঈদ) ছিল। বাংলাদেশ সরকারের সমাজ সেবা অধিদপ্তরের পরিচালক থাকাবস্থায় ১৯৭৭ ইং সালের দিকে ড. মীজানুর রহমান শেলীর সাথে পরিচয়, পরে ঘনিষ্ঠতা। স্বাধীনতার পূর্বে অর্থাৎ ১৯৬৮ ইং সালে সমাজকল্যাণ প্রভাতী সংসদের উদ্দ্যোগে নারায়নগঞ্জে প্রথম নৈশ বিদ্যালয় চালু হয়েছিল যাহাতে বয়স্ক ছাড়াও কর্মজীবি শিশু/কিশোরদের অষ্টম শ্রেণী পর্যন্ত শিক্ষা দেয়া হতো। পরে স্বাধীনতার চেতনায় উৎবুদ্দ হয়ে সমাজসেবক ও শহরের যুব সমাজের উদ্দেগে নারায়নগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অনুরূপ স্কুল গড়ে উঠে, যার জন্য তৎকালিন নারায়নগঞ্জ পৌরসভা থেকে মাসিক ১০০/- টাকা অনুদান প্রদান করা হতো। স্বাধীনতার পর শহর/শহরতলীতে স্থানীয় উদ্দ্যোগে ১৯টি স্কুল চালু হওয়ার পর নারায়নগঞ্জ পৌরসভার উদ্দেগে স্কুলগুলির প্রতিনিধি, প্রশাসনিক কর্মকর্তা ও পৌরপ্রতিনিধি সমন্বয়ে গঠিত হয় “কেন্দ্রীয় নিরক্ষরতা দূরীকরণ সংস্থা”। সংস্থা মূল তহবিল সরকারের অনুমোদনে পৌরসভা প্রদান করতো। স্বাধীনতার পর নারায়নগঞ্জ পৌরসভার প্রথম প্রশাসককে পদাধিকার বলে চেয়ারম্যান (পৌর চেয়ারম্যান/প্রশাসক পদধিকার বলে সভাপতি) ও আমাকে অবেতনিক সাধারণ সম্পাদক মনোনীত করে কেন্দ্রীয় নিরক্ষরতা দূরীকরণ সংস্থার কেন্দ্রীয় কমিটি গঠিত হয়। উক্ত কমিটি অবৈতানিক সেক্রেটারী হিসাবে নিরক্ষরতা দূরীকরণ কার্যক্রমকে ত্বরান্বিত করার জন্য ১৯৭৭ ইং সনে সমাজ সেবা অধিদপ্তরের তৎকালিন পরিচালক ড. মীজানুর রহমান শেলীর সাথে পরিচয়, কার্যক্রমের মাধ্যমে ঘনিষ্ঠতায় তার কর্মতৎপরতা সম্পর্কে জানার সূযোগ হয়। আমরা সাধারনত: ইংরেজী তারিখ ব্যবহার করে “তারিখ” লিখার পর “ইং” লেখি বা বাংলা তারিখ লিখে “বাংলা” বা “বাং” লিখি, কিন্তু এর পরিবর্তে ড. শেলী ইংরেজী তারিখের পরে লিখতেন “খ্রীষ্টাব্দ” বা খ্রীঃ। এ ধরনের অনেক ব্যতিক্রম বিষয়াদি তার দৈনন্দিন কর্মকান্ডে পাওয়া যেতো। আমাদের আমন্ত্রণে তিনি সমাজ সেবা অধিপ্তরের পরিচালক হিসাবে ২ বারই নারায়নগঞ্জে আসেন। ১৯৭৭-৭৮ ইং সনে একবার এসেছিলেন কেন্দ্রীয় নিরক্ষরতা দূরীকরণ সংস্থা পরিচালিত নৈশ বিদ্যালয়গুলি পরিদর্শন, অন্যবার শহরের দক্ষিণ প্রান্তে অবস্থিত গোগনগর সমাজ কল্যাণ পরিষদের উদ্যেগে প্রতিষ্ঠিত একটি নৈশ বিদ্যালয় উদ্ভোধন করার জন্য এসেছিলেন। ক্রটি ধরা বা ঘুষ না পেলে অধিকার থেকে বঞ্চিত করার মধ্যে “আমলা তন্ত্র” সম্পর্কে গণমানুষের একই ধারনা, যদি ব্যতিক্রম যা আছে তা হাতে গোনার মত নয়। দিনে দিনে প্রেক্ষাপট এমনিভাবে সৃষ্টি হয়েছে যে, জনগণের অর্থে চালিত শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে সরকারী চেয়ারে বসা জনগণের বেতনভুক্ত কর্মচারীদের জনগণ তাদের সেবক মনে করার অবকাশ সৃষ্টি হয় নাই বরং পেক্ষাপট এমনিভাবে সৃষ্টি হয়েছে যাতে জনগণ এমনিভাবে চিন্তা করতে হয় যে, ঐ কর্মকর্তা বা কর্মচারীর হাতেই সংশ্লিষ্ট ব্যক্তির ভাগ্য নিয়ন্ত্রণের চাবি কাঠি। প্রেক্ষাপট একদিনে সৃষ্টি হয় নাই বরং দিনে দিনে এ অবস্থান সৃষ্টি হয়ে এখন প্রকট আকার ধারণ করেছে। এ প্রকট আকারের পিছনে রয়েছে সরকারের মদদ। কারণ গণতান্ত্রিক প্রতিষ্ঠান তথা রাজনৈতিক দলগুলিতে মেধাশক্তি সম্পন্ন কর্মী বাহিনী দ্বারা গড়ে না উঠার কারণে বর্তমান আমলাতান্ত্রিক ব্যবস্থা দিনে দিনে এতোই নির্মম হচ্ছে যে, কোন আমলা থেকে আদর্শভিত্তিক কোন বিষয় ধ্যান ধারনা করাতো দূরের কথা নূনত্যম নৈতিকতার পরিচয় পাওয়া কষ্ঠকর হয়ে পড়ে। সাধারণ মানুষের নিকট আমলারা “সাহেব” বা “স্যার” সম্বোধন তথা প্রভুমূলক আচরন প্রত্যাশা করে, কোন কারণেই মনে করে না যে, তারা জনগণের বেতনভুক্ত কর্মচারী। একটি কাজে মানুষকে দিনের পর দিন হয়রানী করা, ন্যায্য অধিকার পাওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিটি ক্ষেত্রে অহেতুক ঝামেলা সৃষ্টি করা প্রভৃতি। রাজনৈতিক দলে টাকার মূল্যায়ন বা রাজনৈতিক অংগনে মেধার মূল্য নাই বলে দল ক্ষমতায় গেলে রাষ্ট্র পরিচালনায় ক্ষমতাসীন দল আমলা নির্ভর হয়ে পড়তে হয়। ফলে জনগণের বিড়ম্বনা সৃষ্টি হয়।

একজন লেখক, সাহিত্যিক, অর্নবর্সী বক্তা, সংগঠক, শিক্ষাবিদ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষকতার মত সম্মান জনক পদ ছেড়ে জীবিকার জন্য কেন আমলার চাকুরী বেছে নিলেন এবং কেনই বা সমাজ সেবা অধিদপ্তরের পরিচালকের পদে চাকুরীতে ড. শেলী উৎসাহিত হয়েছিলেন? আমলাতন্ত্রের মধ্যে অনেক বিভাগ আছে যেখানে ক্ষমতার দাপট দেখানো যায়। কিন্তু জনগণকে সমাজ সেবায় উৎসাহিত করার বা কমিউনিটী থেকে স্বেচ্ছাসেবী সমাজ সেবক সৃষ্টি করাই সমাজ সেবা অধিদপ্তরের মূল উদ্দেশ্য। একজন স্বেচ্ছাসেবী সমাজকর্মী যে “নিজের খেয়ে বনের মহিষ তাড়ায়” তাদের সমাজ কর্মে উৎসাহিত করা এবং সামাজিক কর্মকান্ডকে মূল্যায়িত ও প্রতিষ্ঠিত করার জন্য জনগণের অর্থে একটি বিভাগ লালিত পালিত হয়ে থাকে যার নাম “সমাজসেবা অধিদপ্তর।” দল মত নির্বিশেষে সমাজ সেবক সৃষ্টি করা সহ সমাজ কল্যাণমূলক স্বেচ্ছাসেবী প্রতিষ্ঠানগুলিকে টিকিয়ে রাখা যাদের দায়িত্ব তারাই এখন দলবাজীতে প্রচন্ড ব্যস্ত। সমাজ থেকে স্বেচ্ছাসেবী সমাজ সেবক তৈয়ার করার একটি মহৎ প্রবনতা ড. মীজানুর রহমান এর মধ্যে লক্ষ্য করেছি। যে ভালো কোন কর্মে এগিয়ে আসে তাকেই উৎসাহিত করা ও এগিয়ে দেয়াই ছিল তার উদ্দেশ্য। প্রমোশন, লোভনীয় পদে বদলী সব কিছুই হচ্ছে এখন দলীয় ভিত্তিতে। শুধুমাত্র দলবাজী ও দলীয় করণের আনুগত্যের কারণে বর্তমানে সমাজ সেবা অধিদপ্তরের মহা পরিচালকের সরকারী চাকুরীর বয়স সীমা অতিক্রম করলেও শুধুমাত্র দলীয় আনুগত্যের কারণে ঐ ব্যক্তিকেই দীর্ঘ মেয়াদী চুক্তি ভিত্তিক মহাপরিচালকের পদে অধিষ্ঠিত রাখা হয়েছে। ফলে কার্যত: বিভিন্ন স্বেচ্ছাসেবী সমাজ কল্যানমূলক প্রতিষ্ঠান থেকে ভিন্ন মতের সমাজকর্মীদের বাদ দেয়া বা সরিয়ে দেয়ার জন্যই চুক্তিভিত্তিক নিয়োগ প্রাপ্ত মহাপরিচালককে তৎপর থাকতে দেখা যাচ্ছে। সরকারের কিছু দপ্তর বা বিভাগ থাকা দরকার যেখানে সরকার রাজনৈতিক মতাদর্শকে প্রাধান্য না দিয়ে দেশ ও জাতির সেবা করার জন্য দল মর্তের উর্দ্ধে উঠে কাজ করতে উৎসাহী এমন আমলাদের দায়িত্ব দেয়া বাঞ্চনীয় ছিল।

সরকারের কিছু বিভাগ রয়েছে যাকে পকেটস্থ না করলে সরকার চলতে পারে না বলে কার্যত: সরকার মনে করে। সমাজ সেবা অধিদপ্তর বা স্বাস্থ্য সেবা অধিদপ্তর এর আওতায় আসে বলে আমি মনে করি না। যেমন আইন শৃঙ্খলা বাহিনী বা বিচার বিভাগ বা প্রশাসনিক বিভাগ সরকারের প্রকেটস্থ থাকতেই হবে বলে সরকার মনে করে, নতুবা সরকারের সকল অবৈধ কাজের বা সরকারী দলের অন্যায় অবিচারকে বৈধতা দেয়ার জন্য “ছা-পোষা” লোকদের দরকার। যার জন্য উল্লেখিত পদে নিরপেক্ষ লোককে দায়িত্ব দিতে “বুমে রাং” হতে পারে বলে সরকার মনে করে। তবে চাটুকারদের প্রশ্রয় দিয়ে তাদের নিকট থেকে সুবিধা আদায় করতে গিয়ে ঐ সব চাটুকারদের উপর সরকার নিয়ন্ত্রন হারিয়ে ফেলেছে। যার ফলে দেখা যায় যে একজন যুগ্ম সচিবের জন্য তিন ঘন্টা ফেরী আটকের কারণে চিকিৎসার অভাবে যাত্রীর এম্বুলেন্সের মধ্যেই মৃত্যু, অথচ তদন্ত প্রতিবেদনে তারা দোষী সাব্যস্ত হয় না, কারণ যারা তদন্ত প্রতিবেদন তৈয়ার করে তারাও আমলা। এমনও দেখা যাচ্ছে যে, সরকারী দপ্তরের পাশেই (জামালপুরের জেলা প্রশাসক) নিজের বেড রুম তৈয়ার করেছেন, এ তদন্ত প্রতিবেদনও প্রকাশ পাবে না। তবে প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের উপর থেকে জনগণের আস্থা উঠে যাওয়ার জন্য যা যা করা দরকার সরকারের আশ্রয় প্রশয়ে আমলারা তাই করছে। আশ্রয় প্রশ্রয়ের মুল কারণ রাত্রিকালীন ভোট করার জন্য আমলাদেরই দরকার। দলীয় গ্রুপিং এর কারণে থানায় তখন পুলিশের স্বাক্ষরও পুলিশ জাল করে জ্বাল জালিয়াতি আশ্রয় নিয়ে এজাহার দায়ের করছে [এ মর্মে সরকার দলীয় একজন এম.পি বলেছেন যে, “পুলিশ এখন আওয়ামী লীগ করে”]। সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দায়েরকৃত উক্ত মামলায় বর্তমানে গোপাল গঞ্জে কর্মরত সাব-ইন্সপেক্টর সাখাওয়াত হোসেন মৃধাকে কথিত বাদী করা হয়েছে। তিনি সাংবাদিকের সাথে টেলিফোনিক সাক্ষাৎকারে বলেছেন যে, “ভাই আকাম করছে তারা, গোসল করে আমারে নিয়া। এই ঘটনার পর আমার ক্ষতির আশঙ্কায় আতঙ্কিত হয়ে নিজেই বদলী হয়ে চলে আসতে বাধ্য হয়েছি। আমাকে মেরেও ফেলতে পারে, ইয়াবা দিয়েও মামলা দিতে পারে।” সাখাওয়াত দাবি করেন, তার ভুয়া স্বাক্ষর দিয়েই মামলাটি করা হয়েছে (সুত্র: জাতীয় পত্রিকা, তাং-১০/৯/২০১৯ ইং)। উক্ত সাব-ইন্সপেক্টরের বক্তব্যে ইহাও প্রকাশ পেয়েছে যে, ইয়াবা হাতে ধরিয়ে দিয়েও পুলিশ মিথ্যা মামলা দেয় এবং এটাও পুলিশের একটি উপ-সংস্কৃতি বটে। বিনা ভোটে নির্বাচিত হওয়ার জন্য সরকার আমলাদের অর্থাৎ সরকারী কর্মচারীদের উপর যে ভাবে নির্ভর শীল হয়ে পড়েছে তাদের লাগাম টেনে ধরা অনেক কঠিন হয়ে পড়বে, যদি না সুস্থ্য মানসিকতা সম্পন্ন সরকারী ব্যবস্থার উত্থান না ঘটে। আমলা, আইন শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনী তথা সরকারী কর্মচারীদের দ্বারা আইন শুধু লংঘিত নয় বরং ধর্ষিত হয়েছে মানুষের অধিকার, কারাবরণ করতে হয়েছে অনেক নির্দোষ মানুষকে, এতে প্রাথমিক লাভবান হয়েছে সংশ্লিষ্ট আমলা নিজে, সেকেন্ডারী লাভবান হয়েছে সরকার স্বয়ং, ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে দেশ ও জাতি।

সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় দায়েরকৃত উক্ত ভূয়া মামলায় ৭৫ জন নামীয় এবং ৪০০ জন অজ্ঞাত আসামী করা হয়েছে যাদের মধ্যে সরকারী দলের নেতাকর্মী থাকায় জনগণ জানতে পারলো যে, বাংলাদেশের পুলিশ গায়েবী, জাল ও মিথ্যা মামলা সৃজনে কতটুকু নোংরা হতে পারে এবং এ মর্মে তারা কত পটয়সী। দূর্ভাগ্য জনক হলেও এটাই সত্য যে, আমলাদের কটু কৌশলে বিনা ভোটে সরকার গঠন হওয়ার কারণেই সরকার আমলাদের লাগাম টানতে ব্যর্থ হচ্ছে। আমলাদের দিয়ে সরকার রাজনীতি করাচ্ছে বলেই তারা এখন অপ্রতিরোধ্যে।

পুলিশ তথা সরকারী কর্মচারীদের দৌরাত্ব এতোই বেড়েছে যে, পূর্বে ভিন্ন পন্থীদের গায়েবী মামলা দিতো, এখন পুলিশ পুলিশের স্বাক্ষর জ্বাল করে খুনের মামলা দেয় (সূত্র: জাতীয় পত্রিকা, তাং-১০/৯/২০১৯)। তবে বিষয়টি “বুমে রাং” হয়েছে এ কারণে যে, “পড়বি তো পড় তো মালীর ঘাড়ে পড়।” জ্বাল স্বাক্ষর রুজুকৃত মামলাটির অধিকাংশ আসামীই সরকারী দলের নেতাকর্মী। আসামীরা যদি সরকারী দলের নেতাকর্মী না হয়ে ভিন্নমতের লোক হতো তবে এই জ্বাল এজাহারে “কত ধানে কত চাল” তা ভুক্তযোগীরা উপলব্দি করতে হতো। বিচার বিভাগও এদের সাজা দিয়ে আতœতৃপ্তি লাভ করতো। পত্রিকায় বাহাবা আসতো। এমনি তো চলছে আমাদের সমাজ ব্যবস্থা। এখন দেখার বিষয় সরকারী দলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে পুলিশের এজাহার জালিয়াতি সম্পর্কে সরকার কোন পদক্ষেপ বা ব্যবস্থা গ্রহণ করে।

আমলাতন্ত্রের আমুল পরিবর্তন, জনগণকে সহযোগীতার পরিবর্তে সরকারী দল তোষন প্রক্রিয়া এখন নগ্ন রূপ ধারণ করেছে। কেন্দ্রীয় নিরক্ষরতা দূরীকরণ সংস্থার অবৈতানিক সাধারণ সম্পাদক হিসাবে ড. মীজানুর রহমান শেলীর আমলে সমাজসেবা অধিদপ্তর থেকে যে সহযোগীতা পাওয়া যেতো, কিন্তু বাংলাদেশ জাতীয় বধির সংস্থার নির্বাচিত সভাপতি হিসাবে উক্ত অধিদপ্তরের প্রশাসন থেকে পাওয়া যায় না, বরং পদে পদে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করছে যার প্রতিকারের জন্য আদালতের আশ্রয় নিতে হচ্ছে। ভিন্নমতের রাজনীতিতে যারা জড়িত প্রশাসনিক কর্মকর্তারা তাদের সাথে এমনই আচরন করে যা সরকারী দলের যে কোন নেতাকর্মীর চেয়ে তারা যেন বেশী সরকারী দলীয় নেতাকর্মী, যেমনটি প্রবাদ রয়েছে যে পোপের চেয়ে বেশী ক্যাথলিক (!)।

1