১৪টি ডকইয়ার্ডসহ ৩৪টি অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ, জরিমানা

1

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ নারয়ণগঞ্জের রূপগঞ্জ উপজেলায় শীতলক্ষ্যা নদীর তীর দখল করে গড়ে উঠা অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদে বুধবার ১৮ সেপ্টেম্বর দ্বিতীয় দিনের মতো অভিযান চালিয়েছে বিআইডবিøউটিএ কর্তৃপক্ষ। বুধবার সকাল দশটা থেকে বিকেল তিনটা পর্যন্ত উপজেলার মুড়াপাড়া, পূর্বগাও, ডাক্তারখালী, ইছাখালি এলাকায় এ উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। এসময় নদীর তীর দখল ও ভরাট করে গড়ে উঠা প্রাণ আরএফএল গ্রæপের একটি কারখানার অবৈধ স্থাপনা, ১৪টি জাহাজ নির্মাণ শিল্প প্রতিষ্ঠান ডকইয়ার্ডের জাহাজের আংশিক অংশ, করিম কংক্রীট টাইলস ফ্যাক্টরীসহ ৩৪ টি স্থাপনা গুঁড়িয়ে দেয়া হয়। পাশাপাশি নদী দখল ও ভরাট করে ব্যবসা পরিচালনার অভিযোগে সামাদ ডকইয়ার্ড নামে একটি জাহাজ নির্মান প্রতিষ্ঠানকে এক লক্ষ টাকা জরিমানা করা হয়।
নির্বাহি ম্যাজিস্ট্রেট মো¯Íাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে ভ্রাম্যমান আদালত এ উচ্ছেদ অভিযান চালায়। এ সময় উপস্থিত ছিলেন বিআইডবিøউটিএ’র অতিরিক্ত পরিচালক রফিকুল ইসলাম, নারায়ণগঞ্জ নদীবন্দরের যুগ্ন-পরিচালক শেখ মাসুদ কামাল, উপ-পরিচালক শহীদুলøাহ ও সহকারী পরিচালক এহতেশামুল পারভেজ সহ অন্যান্য কর্মকর্তারা।
বিআইডবিøউটিএ’র নির্বাহি ম্যাজিষ্ট্রেট মো¯Íাফিজুর রহমান জানান, প্রাণ আরএফএল গ্রæপের একটি কারখানার অবৈধ স্থাপনা, তানহা ডকইয়ার্ড, মাসটাং ডকইয়ার্ড, মালেক ডকইয়ার্ড, আলম ডকইয়ার্ড, জাকের ডকইয়ার্ড, শাহজাহান ডকইয়ার্ডসহ ১৪টি ডকইয়ার্ডের জাহাজের বর্ধিত অংশ, ২টি টাইলস কারখানার বর্ধিত অংশ, ৫টি দেয়াল, ৬টি টিন ও বাশের বেরিকেড, ১টি বাশের জেটি, ১টি ড্রেজার পাইপসহ সর্বমোট ৩৪টি স্থাপনা উচ্ছেদ করা হয়েছে। উচ্চ আদালতের নির্দেশে এ উচ্ছেদ অভিযান চালানো হচ্ছে। নদী অবৈধ দখলমুক্ত না হওয়া পর্যন্ত উচ্ছেদ অভিযান চলমান থাকবে। নদী দখলদারদের কাউকে ছাড় দেয়া হবে না বলেও জানান তিনি।
উলেøখ্য, গত মঙ্গলবার একই এলাকায় উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনা করা হয়। সেখানে আলম ডকইয়ার্ড, তুহিন ডকইয়ার্ড, মালেক ডকইয়ার্ডসহ ১০টি জাহাজ নির্মাণ শিল্প কারখানা (ডকইয়ার্ড) ও একটি শিল্প প্রতিষ্ঠানের দেয়াল ভেঙ্গে দেয়া হয়।

1