মাসে ৫১ লাখ টাকার চাঁদাবাজি ৫’শতাধিক ফুটপাতে দোকান নির্মাণ

1

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ  রূপগঞ্জে বিভিন্ন সংগঠনের নেতারা পুলিশ সাথে নিয়ে মন্ত্রীর নাম ভাঙ্গিয়ে যৌথভাবে বিভিন্ন স্ট্যান্ড ও ফুটপাত থেকে প্রতি মাসে ৫১লাখ টাকা চাঁদাবাজি করছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এর মধ্যে রয়েছে যুবলীগ, স্বেচ্ছাসেবকলীগ, ছাত্রলীগ, শ্রমিকলীগ, আওয়ামী মহিলালীগ, যুব মহিলালীগসহ আরো নামধারী নেতাকর্মীরা। রূপগঞ্জ উপজেলার গোলাকান্দাইল এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ও এশিয়ান হাইওয়ে সড়কের পাশে উচ্ছেদকৃত স্থানে ফুটপাতে প্রায় ৫’শতাধিক দোকান বসিয়েছে। এখানে প্রতি দোকান থেকে নেয়া হচ্ছে ৫০ থেকে ১০০ টাকা। জেলা, থানা, ফাঁড়ির পুলিশসহ সরকার দলীয় বিভিন্ন নেতাদের ম্যানেজ করে স্থানীয় লোকজন এসব দোকানপাটুসহ ফুটপাত বসিয়েছে। এতে করে প্রতিদিন আদায় হচ্ছে ৩০হাজার টাকা।
বর্তমান নারৃায়ণগঞ্জ পুলিশ সুপার ৬বার পদকপ্রাপ্ত হারুন অর রশিদের নির্দেশে ভুৃলতা ফাঁড়ির সামনে ও মহাসড়কের পাশে অস্থায়ী ফুটপাতে দোকান না বসানেরা নির্দেশ অব্যাহত রেখেছেন। মহাসড়কের উপর দোকান না বসানোর জন্য নির্দেশ দেন।
অনেক দোকানীরা জানান আড়াইহাজারের এমপি বাবুর নির্দেশ ও স্থানীয় নেতাদের নেতৃত্বে মহাসড়কের পাশে ফুটপাতে ৫শতাধিক দোকান বসানো হয়েছে। এসকল ফুটপাত দোকান থেকে প্রতিদিন তুলা হচ্ছে ৪০হাজার টাকা।
জানা যায় ভুলতা, গোলাকান্দাইল এলাকার সিএনজি অটোরিকশা ও বেবী ষ্ট্যান্ড, রেন্ট-এ কার, পিকআপ ভ্যান ষ্ট্যন্ড থেকেও এই টাকা আদায় করা হচ্ছে বলে জানা যায়। চাঁদাবাজরা, পুলিশ ও পুলিশের নিয়োজিত লোকজন (লাঠিয়াল বাহিনী) যাত্রীবাহী বাস, মালবাহী ট্রাক, পিকআপ, লেগুনা, ভটভটি, নসিমন থেকে ৯০ টাকা থেকে ২০০ টাকা পর্যন্ত চাঁদা আদায় করছে বলেও অভিযোগ রয়েছে। এসকল স্ট্যান্ড থেকে প্রতিদিন তুলা হচ্ছে ১লাখ টাকা। বিভিন্ন খাত থেকে সর্বমোট তুলা হচ্ছে ১লাখ ৭০হাজার টাকা। সব মিলে প্রতিমাসে চাঁদা আদায় হচ্ছে ৫১লাখ টাকা। এ টাকার ভাগ ভুলতা ফাঁড়ি পুলিশ, হাইওয়ে পুলিশ, নেতারা পেয়ে থাকেন বলে জানান ষ্টান্ডের দায়িত্বপাপ্ত চাঁদাবাজরা।
এ ব্যাপারে ভুলতা পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ ইন্সেপেক্টর মোঃ শহিদুল আলম জানান, ফুটপাত বসানোর পক্ষে আমি নই। তবে এখানকার অনেক গরীব মানুষ ফুটপাতে ব্যবসা করে এক সময় কোন দোকান বা ফুটপাত থাকবেনা। এখন অস্থায়ীভাবে বসছে কাকে কি দেয় আমি এর কোন খোঁজখবর নেইনা। ফুটপাত ব্যবসায়ীরা সড়ক ও জনপথ বিভাগের যায়গায় বসে ব্যবসা করছে। যখন সড়কের কাজ করবে তখন এরা উঠে যাবে। রূপগঞ্জ থানার ওসি মাহমুদুর হাসান বলেন, স্থানীয় ব্যবসায়ীরা দোকানপাট নির্মাণ করছে সড়ক ও জনপথের জায়গায়। এসব বিষয়ে পুলিশ যানজট নিরোসনে সব সময়ই ফুটপাত উচ্ছেদ করেন। পুলিশের টাকা গ্রহণের প্রশ্নই আসে না। ######

1