ভূয়া দলিল করে অন্যত্র বিক্রি করায় সংবাদ সম্মেলন

1

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম:  নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লার দক্ষিন সস্তাপুর কায়েমপুর এলাকার আনিছুর রহমান (৪৫) নামের এক সৌদি আরব প্রবাসীর ১৬ শতাংশ জমি (ভূয়া) পাওয়ার অব অ্যাটনীর মাধ্যমে জাল দলিল সৃজন করে অন্যত্র বিক্রি করায় ভূমি দস্যুতার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় বন্দর উপজেলার বাগবাড়ী প্রধানবাড়ি এলাকার আবুল প্রধানের ছেলে ভূমিদস্যু কামাল প্রধানের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় আনিছুর রহমান ভূমিদস্যু কামাল প্রধানকে প্রধান আসামী করে বন্দর থানায় থানায় ১৩ অক্টোবর রাতে একটি মামলা দায়ের করেছেন। যার নং-৪৫।
মামলায় অপর আসামী হলেন, বন্দর উপজেলার মৃত হাজী সদর উদ্দিনের ছেলে আক্তারুজ্জামান (৫৫) সহ অজ্ঞাতনামা আরো ৪/৫জন। রবিবার দুপুর ১২টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেসক্লাব ভবন মিলনায়তনে ভূমিদস্যুতার অভিযোগ এনে এ বিষয়ে এক সংবাদ সম¥েলনের আয়োজন করেন প্রবাসী মোঃ আনিছুর রহমান। মামলার বিবরনে ভূক্তভোগী আনিছুর রহমান সংবাদ সম্মেলনে জানান, তিনি দীর্ঘদিন যাবত সৌদি আরবের একজন প্রবাসী। নিজের প্রবাসী জীবনে পরিশ্রমের অর্জিত টাকা জোগার করে বন্দর উপজেলা কুশিয়ারা মৌজাস্থিত ঈস্খথক তিনটি দলিল মূলে ১০, ৪ এবং ২ শত্যাংশ জমি ক্রয় করেন ২০০৩ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর ও ২০০৭ সালের ২৯ জুলাই। জমি ক্রয়ের পর তিনি সৌদি আরব চলে যাওয়ার পর ২০১০ সালের ১৫ ডিসেম্বর ভূমিদস্যু কামাল প্রধান জালিযাতি করে ভূয়া একটি পাওয়ার অবঅ্যাটনীর মাধ্যমে জমিটি অন্যত্র বিক্রি করে দেয়। পরে তিনি তার ছোট বোনকে দিয়ে একটি মামলা দায়ের করেন। পরবর্তীতে তিনি ২০১৭ সালের ১৫ ডিসেম্বর দেশে ফিরে জানতে পারেন জমিতে গিয়ে জানতে পারেন জমিটি তার নেই জমিটি কামাল প্রধান নামের এক ব্যাক্তি অত্র জমিটি ান্যত্র বিক্রি করে দিয়েছেন। পরে তিনি জানতে পারেন তার স্বাক্ষর, টিপসই জাল করে একটি ভূয়া অ্যাটনী পাওয়ার দলির সৃজন করেন। তিনি কখনো কাউকে অ্যাটনী পাওয়ার দেয়নি।
এ বিষয়ে তিনি জেলা পুরিশ সুপারের কার্যালয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করলে জেলা পুলিশ পুসার হারুন অর রশিদ ডিবি পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এস,আই) আলমগীরকে বিষয়টি তদন্ত করার নির্শেদ প্রদান করলে তাকে প্রান নাশের হুমকি সহ নানা ধরনের হুমকি ও ভয়ভীতি পদর্শস করেন।
তিনি আরো জানান, কামাল প্রধান শুধু তাকে নয় আরো কয়েকজন ব্যাক্তির সাথে এহেন কর্মকান্ড করেছে। এ সময় তিনি সংবাদিকদের সামনে জোর হাত বলে বলেন, আমাকে সাহায্য করুন, আমি একজন অসহায় মানুষ। আমি বহু কষ্ট করে তিলে তিলে আমার প্রবাসী জীবনের কষ্টার্জিত অর্থ জোগার করে জমিটি ক্রয় করেছি। আমি ন্যায় বিচার চাই এবং সকলের সহযোগিতা চাই। সাংবাদিক সম্মেলনে এ সময় উপস্থিত ছিলেন, আনিছুর রহমানের বড়ভাবী শাহানুর বেগম, ছোট বোন শান্তি, ভাতিজা হৃদয় ও জুয়েল।

1