বিএনপি জামাত ক্যাডার আইভীকে ঘিরে রেখেছিল : শামীম ওসমান

1

ডেইলি নারায়নগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম: নারায়ণগঞ্জ সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. সেলিনা হায়াত আইভীর উপর ২০১৮ সালের ১৬ জানুয়ারি হত্যার চেষ্টায় আওয়ামীলীগের নেতকর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের প্রসঙ্গে নারায়ণগঞ্জ -৪ আসনের সংসদ সদস্য এ কে এম শামীম ওসমান বলেন, ওইদিন মেয়র আইভী বিএনপি জামাতের চিহ্নিত ক্যাডারদের নিয়ে যুবলীগ নেতা নিয়াজুল ইসলামের উপর হামলা করে হত্যাচেষ্টা চালিয়েছিল। বিএনপি জামাতের চিহ্নিত ক্যাডারও আইভীকে ঘিরে রেখেছিল।  তাহলে কি নিয়াজুলের মামলা হবে না? নিয়জুল ত হামলা করেনি। নিয়াজুলের উপর হামলা করা হয়েছিল।

শনিবার (৭ নভেম্বর) নম পার্কে ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সম্মেলন অনুষ্ঠিত এ কথা বলেন নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান।

তিনি আরও বলেন, এই মামলা তারা খেয়েছে ষড়যন্ত্রের অংশ হিসেবে। আজকে থেকে ২২ মাস আগে নারায়ণগঞ্জে হকারদের সাথে সংঘর্ষ হয়েছিল মেয়রের। হকারদের সাথে মেয়রের সংঘর্ষ হয় এটা আমি কোথাও শুনি নাই।

মেয়র আইভীকে মোস্তাকের বংশধর হিসেবে আখ্যায়িত করে শামীম ওসমান বলেন, আপনি আওয়ামীলীগের নৌকা প্রতীক নিয়ে মেয়র হলেন। যেসব নেতাকর্মীরা নিজের পকেটের টাকা খরচ করে দিন রাত পরিশ্রম করে আপনাকে মেয়র বানালো, আর আপনি তাদের নামেই মামলা করে দিলেন।

শামীম ওসমান বলেন, নিয়াজুলকে উদ্ধার করতে দ্রুত দৌরে গেলো স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতিসহ বেশ কয়েকজন নেতাকর্মী। তাদের উপরও হামলা করলেন। কারা এরা? ছবিতে তো দেখা যায় বিএনপি- শিবিরের নাম করা ক্যাডারদের। তারা মেয়রকে ঘিরে রেখেছিল। তারপরে নাটক করা হলো, বলা হলো উনাকে মারার চেষ্টা করা হয়েছে। আমরা কিচ্ছু বললাম না। দুই দিন পর ২টি পত্রিকা বাদ দিয়ে জাতীয় সকল পত্রিকায় প্রকাশিত হলো মেয়রকে নয়, নেয়াজুলকেই হত্যার চেষ্টা করা হয়েছিল। উনি থেমে গেলেন। বুঝলেন, ধরা গেয়ে গেছে। হঠাৎ করে ২২ মাস পরে আবার কেন মামলা। কারণ এ কাগজ বিদেশে যাবে। গিয়ে দেখিয়ে বলতে পারবেন- খালেদা জিয়ার বিচার কি হবে? ওই দেশে সরকারি দলের একজন মেয়রকে বিচারের আশায় ২২ মাস ঘুরে বেড়ানোর পর হাই কোর্টে যেতে হয়।’

শামীম ওসমান আরো বলেন, একজন মেয়র মার খেলো, নারায়ণগঞ্জ থানায় দুই বার গেলো। অথচ, মামলা হলো না, আমারও প্রশ্ন মামলা নিলো না কেন? কারণ তত্বকালিন পুলিশ তাকে রক্ষা করতে চেয়েছিল। তাই মামলা হয়নি। ২২ মাস পর মামলা করলেন, মামলা কি একটাই হবে? নিয়াজুলের মামলা হবে না?

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আব্দুল হাই, সাধারণ সম্পাদক আবু হাসনাত শহীদ বাদল, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি মিজানুর রহমান বাচ্চু মহানগর আওয়ামী লীগের সহসভাপতি চন্দন শীল, সাধারণ সম্পাদক এড. খোকন সাহা, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সভাপতি এম সাইফউল্লাহ বাদল, সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী, মহানগর আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক শাহ্ নিজাম, সাংগঠনিক সম্পাদক জাকিরুল আলম হেলাল, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক ডা. আবু জাফর চৌধুরী, সাংগঠনিক সম্পাদক ও আড়াইহাজার পৌরসভার মেয়র সুন্দর আলী, মহানগর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাত হোসেন সাজনু প্রমুখ।

1