শিশু জিহাদ হত্যায় আদালতে মামলা

1

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম:  শিশু হত্যাকান্ড জিদান হাসান এর অপমৃত্যুর মামলাটি হত্যা মামলা হিসেবে রুজু করেছে নারায়ণগঞ্জের বিজ্ঞ চীফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী ‘ক’ আদালত। হত্যাকান্ডে জড়িত সন্দেহে ৩জন আসামীর জামিনের আবেদন করলে বিজ্ঞ আদালত আসামীদের জামিন না মঞ্জুর করে ।

  ৫ জানুয়ারী (রববার) দুপুরে বিজ্ঞ আদালত মামলাটি রুজু করে যার সি.আর মামলা নং ০২/২০২০। হত্যাকান্ডে জড়িত সন্দিগ্ধ আসামীরা হলো সিদ্ধিরগঞ্জ চৌধুরী বাড়ী এলাকার মো. শাহীন মিয়ার ছেলে মো. সাব্বির হোসেন (১৬), পাইনাদী মিজমিজি এলাকার জহুরুল ইসলামরে ছেলে মো. ইয়াছিন (১৬), চৌধুরী বাড়ী বন্ধু সিনেমা হল বাসিন্দা মজিবুর রহমানের ছেলে মো. রাহাত হোসেন (১৫)। এর আগে নিহত শিশু জিদান হাসান তন্ময় এর মা নারায়ণগঞ্জের নব নিযুক্ত পুলিশ সুপার মোহাম্মদ জায়েদুল আলম (পিপিএম-বার) এর নিকট একটি অভিযোগ দায়ে করেন। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন আসামী রতন, রাহাত হোসেন, সাব্বির হোসেন, ইয়াছিন, মো. মাইনুদ্দিনরা মিলে তার ছেলে তন্ময়কে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে এবং হত্যাকান্ডের ঘটনায় গত ২৭ ডিসেম্বর সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় হত্যা মামলা দায়ের করতে গেলে থানার কর্মকর্তা আসামীদের অবৈধভাবে প্রভাতি হয়ে হত্যা মামলা না নিয়ে অপমৃত্যু মামলা করে।  উল্লেখ্য সিদ্ধিরগঞ্জে জিদান হোসেন তন্ময় নামে এক কিশোরকে তারই বন্ধু রতন ২৬ ডিসেম্বর (বৃহস্পতিবার) দুপুরে ডেকে নিয়ে যায়। এরপর পরে রাতে আর বাসায় ফিরেনি তম্ময়। পরদিন শুক্রবার সকালে রতনসহ আরো দুইবন্ধু তম্ময়ের লাশ নিয়ে তার বাবার কাছে বুঝিয়ে দিয়ে বলে বিদুৎপৃষ্ট হয়ে মারা গছে। শুক্রবার ভোরে থানার কদমতলী মাদানীবাগ এলাকার শাহাজাহানের বাড়ির পার্শ্বে চায়ের দোকানে এ ঘটনা ঘটে। নিহতের পরিবারের দাবি তাকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করেছে। অপর দিকে পুলিশ এ মৃত্যুকে আত্মহত্যা বলে সিদ্ধিরগঞ্জ থানায় একটি ইউডি মামলা রুজু করেন। তবে হত্যা মামলা না নিলেও এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে রতনসহ সাব্বির ও ইয়াছিন নামে ৩ জনকে আটক করেছে পুলিশ। নিহতর স্বজনরা জানায়, সিদ্ধিরগঞ্জের মিজমিজি বাতানপাড়া ক্লাব সংলগ্ন পাইনাদী শুক্কুর আলীর ছেলে রতনের সাউন্ড সিষ্টেম ও ছোট বাতির দোকান। গত বৃহস্পতিবার দুপুরে রতন কাজ করার কথা বলে মিজমিজি মধ্যপাড়া এলাকার বাসিন্ধা ফারুক ঢালির ছেলে জিদান হাসান তন্ময়কে নিয়ে যায়। শুক্রবার সকালে তন্ময়ের বাড়ির সামনে ইজিবাইক দিয়ে নিয়ে তন্ময়ের বাবা ফারুক ঢালীর কাছে লাশ বুঝিয়ে দেয়। এসময় তন্ময়ের বাবা লাশ বহনকারীদের তার ছেলের মৃত্যুর কারন জানতে চাইলে বিদুৎ পৃষ্ট হয়ে মৃত্যু হয়েছে বলে চলে যায়। নিহতের পরিবার ধারনা করে তন্ময়কে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে।

1