ধর্ষণের মহামারী ও নিরাপত্তাহীন নারী সমাজ-এ্যাডঃ তৈমূর

1

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম:  মানব সমাজের চিন্তার স্বাদ (ঞবংঃ) বা রুচি যেন দিন দিন পরিবর্তন হচ্ছে। যে ব্যক্তি আঘাত প্রাপ্ত বা নির্যাতিত হচ্ছে তার চেয়ে যে নির্যাতন করছে তার সমর্থকের সংখ্যা যেন বেশী। মাইর খেয়ে যে নাক বা মাথা ফাটালো তার অনুকূলে প্রতিবাদ মূখর না হয়ে করুনার দৃষ্টিতে বিষয়টি বিবেচনা করা হয়, অথচ নির্যাতনকারীর বিরুদ্ধে প্রতিবাদ মুখর হওয়ার বিষয়টি সচরাচর নহে বরং কদাচিত। তবে মিডিয়ায় কোন অত্যাচার নির্যাতনের কাহিনী প্রকাশিত হলে বিষয়টি পুজি করে কাউন্টার ভাবে মিডিয়ায় প্রকাশের জন্য কিছু প্রতিবাদ হয় বটে, তা আন্তরিকতার চেয়ে মিডিয়ায় প্রকাশ পাওয়ার প্রবনতাই বেশী। তবে এ টুকু প্রতিবাদ আছে বলেই নির্যাতিতরা এখনো বিচারের প্রত্যাশায় বুক বাধে। অনেক অত্যাচার নির্যাতনের ঘটনা রয়েছে যা অদৌ মিডিয়াতে প্রকাশ পায় না, যা প্রধানমন্ত্রীর কর্নকুহরে পৌছে না, তাদের অবস্থা অর্থেবচ অর্থাৎ ভিক্ষা চাওয়ার চেয়ে ভুক্তভোগীদের কুত্তা সামলানোর প্রত্যাশা মুখ্য হয়ে দাড়ায়।

ধর্ষণ ও গণ ধর্ষণ মহামারীতে রূপ নিয়েছে। দেশব্যাপী চিন্তাশীল ব্যক্তিরা এটাকে এখন জাতীয় সমস্যা বলে মনে করছেন। সরকার আইন করছে, কঠিন কঠিন আইন। কিন্তু ধর্ষণ রোধ হচ্ছে না, অধিকন্তু কঠিন আইন প্রনয়ণের ফ্যাক্টরী জাতীয় সংসদে ধর্ষকদের ক্রস ফায়ারে দেয়ার দাবী উঠেছে, যদিও হাই কোর্ট তা সমর্থন করে নাই। যাদের দ্বারা সরকার আইন প্রয়োগ করে অর্থাৎ পুলিশ বাহিনীর সদস্যের মধ্যে কেহ কেহ ধর্ষণে অভিযুক্ত হচ্ছে। এ সমস্যা সমাধানের উপায় বের করতে না পারলে কোন নারীরই তো নিরাপত্তা রইল না। একজন ঋণগ্রস্থ পিতা যখন বিবাহযোগ্য কন্যাকে ঋণ দাতার হাতে তার মেয়েকে যৌন উপভোগ করার জন্য তুলে দেয়, সে অবস্থা বা পরিস্থিতিকে কি বিশেষণে জাতি ও সমাজ বিবেচনা করছে? ১৬/০১/২০২০ তারিখে জাতীয় পক্রিকায় একটি সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে যা নি¤েœ প্রকাশ করা হলো।

“রাজধানীর কামরাঙ্গীরচরে এক ব্যক্তি মহাজনের কাছ থেকে নেয়া টাকা শোধ করতে না পারায় নিজের কিশোরী মেয়েকে তার হাতে তুলে দেয়ার অভিযোগ উঠেছে। মহাজন মেয়েটিকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে বলে জানা গেছে। ধর্ষণের শিকার ওই কিশোরীকে গত মঙ্গলবার রাতে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের ওয়ান স্টপ ক্রাইসিস সেন্টারে (ওসিসি) ভর্তি করা হয়েছে। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, ভিকটিম তার বাবার সঙ্গে কামরাঙ্গীরচর এলাকায় থাকত। ওই লোক এক মুরগি ব্যবসায়ী মহাজনের দোকানে চাকরি করতেন এবং পাশাপাশি ভ্যান চালাতেন।”

অর্থনৈতিক নিরাপত্তা প্রতিটি মানুষের চলার পথে ঐকান্তিক ভাবে প্রযোজ্য। সরকার বা সরকারের মূখপাত্র দেশে অর্থনৈতিক সম্মৃদ্দির কথা ফলাও করে প্রচার করছে। কিন্তু দেশে নারীদের মধ্যে এখন পর্যন্ত কেহ কেহ দেহ বিক্রি করে অর্থনৈতিক চাহিদা মিটাতে হয়, একই কারণে বিদেশে পাচার হচ্ছে, এরপরও কি সরকারের ভাষ্য মতে গোটা জনগোষ্টি অর্থনৈতিকভাবে প্রকৃত পক্ষেই সম্মৃদ্ধশালী? একজন নারী যখন ধর্ষিতা হয় তখন ধর্ষকের চেয়ে ধর্ষিতাকে কলঙ্কের বোঝাই বেশী বহন করতে হয়, (যদিও সমাজের তথাকথিত উপর তালায় বিষয়টি ভিন্নতর) সমাজ ধর্ষিতাকে গ্রহণ করতে চায় না, বিয়ে করাও দুষ্কর হয়ে পড়ে, বিবাহিত হলে হতে হয় স্বামী পরিতাক্তা অথবা আতœহত্যা। ধর্ষিতা যখন প্রতিরোধ বা প্রতিশোধ নিতে চায় তখন সমাজ থেকে আশানুরূপ সমর্থন, সহযোগীতা বা সাড়া পায় না। রাষ্ট্রীয় বেতনভুক্ত কর্মচারী, রাষ্ট্রের পক্ষ থেকে যারা ধর্ষিতার পক্ষে দাড়ানোর কথা তারাও ধর্ষিতাকে নিয়ে উপহাস করে। ফলে ধর্ষকের বিপক্ষে প্রতিরোধ সৃষ্টি করার মানসিক শক্তি ভুক্তভোগীরা হারিয়ে ফেলে।

ধর্ষণ বৃদ্ধি অর্থাৎ মহামারী আকার ধারণ করার পিছনে আকাশ সংস্কৃতি, ফেস বুক সহ বিভিন্ন মিডিয়ার অনেক অবদান রয়েছে। অন্যদিকে রাষ্ট্র আকাশ সংস্কৃতি ও ফেস বুকের পৃষ্ঠপোষকতা করছে। নারী জাতিকে ধর্ষণ থেকে রক্ষা করার সামাজিক অবস্থান সৃষ্টি করা, অভাবগ্রস্থ, ঋণগ্রস্থ, হত দরিদ্রদের অর্থনৈতিক নিরাপত্তা বিধানের জন্যই ইসলাম ধর্মে যাকাত প্রথার বিধান করা হয়েছে যা প্রতিটি স্বচ্ছল মুসলমানের জন্য বাধ্যতামূলক। যাকাত প্রথা সামাজিক নিরাপত্তার একটি নিশ্চয়তা, সে নিশ্চয়তা কি ভাবে প্রয়োগ করা যায় এ নিয়ে রাষ্ট্রের বাস্তব মূখী একটি পদক্ষেপ থাকা দরকার, যা বর্তমানে নাই। ঋণের দায়ে মানুষ আতœহত্যার কথা শুনা যায়, জীবিকার জন্য নিজ সন্তান বিক্রির কথাও নতুন কথা নয়, দেহ বিক্রি করে জীবিকা নির্বাহ করা পৃথিবীর আদি প্রথা। তবে ঋণের দায়ে নিজ কন্যাকে অবৈধ ভাবে ভোগ করার জন্য ঋণ দাতার হাতে ঋণগ্রস্থ পিতা কর্তৃক ঔরশ জাত কন্যাকে তুলে দেয়া, গণমানুষের অর্থনৈতিক ও সামাজিক অনিশ্চয়তার একটি বাস্তব চিত্র মাত্র, যা কোথাও প্রকাশ পেয়েছে, কোথাও পায় নাই। একদিকে ধর্ষণ প্রতিরোধের জন্য কঠিন কঠিন আইন প্রনয়ণ, অন্যদিকে রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় যৌনচার সম্পর্কিত মিডিয়ার তথা আকাশ সংস্কৃতির দ্বৌরাত্ব সরকারের পরস্পর বিরোধী একটি পন্থা, উভয় পক্ষকে খুশী রেখে অভিষ্ট লক্ষে পৌছা যায় না, এটাও সরকারের বোধদয় হওয়া দরকার। এতেই বুঝা যায় যে, ধর্ষণের মহামারী ঠেকাতে সরকার আন্তরিকতার ক্ষেত্রে কতটুকু দৃশ্যমান হতে পেরেছে?

ধর্মের কথা উঠলেই বলা হয় সাম্প্রদায়িকতা। ধর্ম নিরপেক্ষতা আর ধর্মহীনতা এক কথা নহে। কিন্তু ধর্মহীনতাকেই এক শ্রেণীর বুদ্দিজীবি উৎসাহিত করে আসছে। মুক্তচিন্তার নামেও একশ্রেণীর ব্লগার ধর্মের বিরুদ্দাচরণ করতে গিয়ে পক্ষান্তরে অবাধ যৌনচারকে সমর্থন করছে। ধর্ষণের মহামারী নিয়ন্ত্রণে আনার প্রশ্নে এ বিষয়গুলিও রাষ্ট্র যন্ত্রকে বিবেচনায় নিতে হবে। ধর্ষণ মহামারী প্রতিরোধে কি ব্যবস্থা গ্রহণ করা যায় এ মর্মে জনাব বিচারপতি এফ.আর.এম. নাজমুল আহসান ও জনাব বিচারপতি কে.এম. কামরুল কাদের সমন্বয়ে গঠিত হাই কোর্ট ব্যাঞ্চ একটি কমিশন গঠনের নির্দেশ দিয়ে কমিশন গঠনের প্রক্রিয়া সম্পর্কে একটি সুস্পষ্ট দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। মাননীয় হাই কোর্টের নির্দেশনা বাস্তবায়িত হলে সরকার শুধুমাত্র আইন প্রনয়ণ নির্ভর না হয়ে বাস্তবমূখী একটি কর্মপন্থা খুজে নেয়ার পথ পাবে, যদিও বিষয়টি সরকারের সদ ইচ্ছার উপর নির্ভর করে। হাই কোর্টের নির্দেশনায় সকল স্তরের প্রতিনিধিদের রাখার গুরুত্ব প্রদান করা হলেও (পত্রিকার ভাষ্যমতে) ধর্ম বিশারদদের রাখার নির্দেশনা নাই। আমি মনে করি ব্যক্তি ও সমাজ জীবনে ধর্মের একটি ব্যাপক প্রভাব রয়েছে। অন্যদিকে ধর্ম শিক্ষার সাথে যারা জড়িত তাদের মধ্যেও ধর্ষণের অভিযোগে অনেকে অভিযুক্ত হয়েছেন। ফলে ধর্ম শিক্ষার সাথে জড়িত কতিপয় ব্যক্তির কারণে বিষয়টি বির্তকিত হওয়ায় এ সম্পর্কে জোর দিয়ে কথা বলাও অনেক সময় বেমানান মনে হয়। তারপরও ধর্ষণের মহামারী রোধে ধর্মীয় বিধানে যে শান্তির কথা উল্লেখ রয়েছে তার প্রতি জনদৃর্ষ্টি আকৃষ্ট হওয়ার ব্যবস্থা নেয়া একান্ত আবশ্যক। যে পরিবারে ধর্মীয় শিক্ষার প্রতি গুরুত্ব আরোপ করা হয় সে পরিবারের সন্তানরা সুশৃঙ্খল জীবন যাপন করে, ব্যতিক্রম কিছু হতে পারে, তবে তা নগন্য বটে। পারিবারিক শৃঙ্খলা বোধ, অন্যদিকে কন্যা সন্তানদের সালীনতাপূর্ণ জীবন যাপন, ধর্মীয় দৃষ্টিকোন থেকে সমর্থনযোগ্য পোষাক পরিচ্ছদ ব্যবহার, ব্যবহারিক আচরনও মেয়েদের যৌন নির্যাতন থেকে রক্ষার একটি হাতিয়ার হতে পারে। কথিত আধুনিকতা সমাজ ও পারিবারিক জীবনে কতটুকু শান্তি এনে দিয়েছে তা ভুক্তভোগীরাই বলতে পারবেন।

ধর্মের বিরোধীতা করা একশ্রেণীর আধুনিক বুদ্দিজীবি বিশেষ করে কোলকাতা মনস্ক বুদ্দিজীবিরা আধুনিকতা মনে করে। ফলে স্বচ্ছল পরিবারের সন্তানদের বখাটে হওয়ার পিছনে এটাও একটা কারণ। জন্ম দিবস উৎযাপনের রাত্রে রেইন ট্রি হোটেলে ধনীর দুলাল কর্তৃক ধর্ষিতা হওয়া, আর সম্প্রতি ঢাকা বিশ্ব বিদ্যালয়ের ছাত্রীর (কথিত ধর্ষক মজনু) ঘটনার প্রেক্ষাপট এক নহে।

সামাজীক নিরাপত্তার অভাবের কারণেই নারী তার স্বতীত্ব রক্ষার জন্য কখনো আতœহত্যা করে বা কখনো প্রতারনা শিকার হয়। সর্বসান্ত হয়ে পড়ে। কোন কোন নারী নিজেকে রক্ষার জন্য উপায়ান্ত না পেয়ে স্বতীত্ব রক্ষার জন্য প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে উঠে। এ ধরনের একটি ঘটনার ভ্রাম্মনবাড়ীয়া জেলাধীন ২য় অতিরিক্ত দায়রা আদালতে বিচারাধীন দায়রা মোকদ্দমা নং-১৩০/২০১৪ (বাঞ্ছারামপুর থানার ৬(১২)২০১২ মামলা ধারা-৩০২/২০১/৩৪ দঃ বিঃ) মোকদ্দমায় ধর্ষকের হাত থেকে নিজের স্বতীত্বকে রক্ষার জন্য ভ্রাম্মনবাড়ীয়া অতিরিক্ত জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট ফাতেমা ফেরদৌসের নিকট ফৌজদারী কার্যবিধি ১৬৪ ধারা মোতাবেক হেলেনা বেগম নামক এক গৃহবধু একটি জবানবন্দী প্রদান করেছেন তা নি¤েœ হুবুহু তুলে ধরা হলো ঃ-

“আমি হেলেনা, স্বামী-আফজালের সাথে ৮/৯ বছর আগে বিয়ে হয়েছিল, আমাদের দাম্পত্য জীবনে একটি ছেলে ও একটি মেয়ে আছে। ভিকটিম শুক্কুর আলী থানা-রূপগঞ্জ, গ্রাম-খাদুন, জেলা-নারায়নগঞ্জ আমাকে ৮/৯ বছর যাবত চিনে, আমার বিয়ের দিন থেকেই তাকে চিনি। সে আমার শ্বশুড় বাড়ির লোক। ভিকটিম শুক্কুর মেয়েদের কাছ থেকে টাকা পয়সা নিয়ে, মেয়েদের ইজ্জত নষ্ট করতো। শুক্কুর বিবাহিত ছিল, তার ৩ ছেলে ও ১ মেয়ে। তার বউ খারাপ কাজে বাঁধা দিলে সে তার বউকে প্রচন্ড মারধর করতো, সে আমাকে আমার স্বামীর অনুপস্থিতিতে শারীরিক সম্পর্কের প্রস্তাব দিতো। আরো বলতো আমি যদি রাজী না হই তবে সে আমার স্বামীকে খুন করে ফেলবে। আমি সবসময় ঘরে তালা মেরে ঘুমাতাম তার ভয়ে। আমি আমার স্বামীকে শুক্কুর এর কুপ্রস্তাব এর কথা বলি। শুক্কুর প্রায়শই মদ খেয়ে বেশ্যা নারী নিয়ে আসতো। একদিনের জন্য শুক্কুর আলী আমাকে যৌন কাজে রাজী হতে বলে, আমি রজী হই নাই, ফলে সে আমার স্বামীকে আমার বিরুদ্ধে ক্ষেপায়। সে মোবাইলে তার সাথে শারীরিক সম্পর্ক করতো বলতো। আমি অস্বীকার করি। বিগত ০৭/১২/২০১২ ইং তারিখে আমাকে জোর করে মোবাইলে শারীরিক সম্পর্ক করতে বললে আমি অভিনয় করে রাজী হই। আমি তাকে নিয়ে মরিচ্যাবাতায় থেকে সোজা পশ্চিমে নদীর পাড় যাই। তার অন্ডকোষে আমার হাত লাগায়। তাকে নিয়ে সন্ধ্যায় হাটতে থাকি। আমার সাথে কেউ ছিল না। আমার স্বামীকে গাঙ্গের পাড়ে থাকতে বলি। আমি তাকে গাঙ্গের পাড়ের রাস্তায় শোয়াই, আমি ওড়না দিয়ে তার মুখ ঢেকে ফেলি। আমার সাথে থাকা চাকু দিয়ে তার অন্ডকোষ কেটে ফেলি। আমি আমার স্বামী আফজাল সহ শরীরের বিভিন্ন অঙ্গে কেটে ফেলি। আমরা আগে তার মুখ চেপে ধরেছিলাম। ফলে সে কিছুই করতে পারে নাই। সে হাজার হাজার মেয়ে মানুষ এর ইজ্জত নষ্ট করেছে ও আমার ইজ্জত নষ্ট করতে চেয়েছে বলে আমি এ কাজ করেছি। আমি হেলেনা ও আমার স্বামী আফজাল শুধু ইজ্জত অর্থাৎ আমার ইজ্জত বাঁচানোর জন্য এ কাজ করেছি।”

ধর্ষকের হাত থেকে নিজেকে রক্ষা করার জন্য যে ঝুকি হেলেনা নিলো তার সপক্ষে আইন, সমাজ, রাষ্ট্র, বিচার ব্যবস্থা অথবা কেউ কি দাড়াবে? হেলেনা যদি ধর্ষকের বিরুদ্ধে বিচার প্রার্থী হতো, তবে সমাজ কি ধর্ষকের প্রতিরোধ করতো? তা না করে হেলেনা যদি নিজেকে ধর্ষকের নিকট সপে দিতো তবে তার পরিনতি কি হতে পারতো? ধর্ষণের মহামারীর এ যুগে সচেতন সমাজের নিকট এ প্রশ্নগুলি পর্যালোচনার দাবী রাখে।

1