৩০০ শয্যায় আরো একটি অ্যাম্বুলেন্স উদ্বোধন

1

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম: নারায়ণগঞ্জ খানপুর ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে রোগীদের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত করতে আরো একটি নতুন অ্যাম্বুলেন্সের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। এ নিয়ে হাসপাতালটিতে বর্তমানে রোগীদের জন্য অ্যাম্বুলেন্সের সংখ্যা দাড়ালো চার। নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানের চাহিদা পত্রের বিপরীতে গত ১৫ জানুয়ারী স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে উক্ত অ্যাম্বুলেন্সটি সহ নারায়ণগঞ্জ-৫ এলাকায় মোট ৩টি অ্যাম্বুলেন্স সরকারী ভাবে বরাদ্দ প্রদান করেন।

রোববার ৯ ফেব্রুয়ারী দুপুরে হাসপাতাল প্রাঙ্গনে এমপি সেলিম ওসমানের পক্ষে জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের সাবেক নারী সদস্য অ্যাডভোকেট হোসনে আরা বেগম বাবলী ও নারায়ণগঞ্জ চেম্বার অব কমার্স এন্ড ইন্ডাস্ট্রির সভাপতি খালেদ হায়দার খান কাজল অ্যাম্বুলেন্সটির আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন। তাঁর দুজনেই জেলা স্বাস্থ্য ব্যবস্থাপনা পরিচালনা কমিটির সদস্য পদে দায়িত্ব পালন করছেন।

উদ্বোধন কালে আরো উপস্থিত ছিলেন খানপুর ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডাক্তার আবু জাহের, বাংলাদেশ মেডিক্যাল অ্যাসোসিয়েশন নারায়ণগঞ্জ জেলার সহ সভাপতি ডাক্তার শামসুজ্জোহা সঞ্চয় সহ অন্যান্যরা।

এর আগে সরকারের স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের কর্তৃক প্রদত্ত একটি অ্যাম্বুলেন্স বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের রোগীদের ব্যবহার জন্য গত ৬ ফেব্রুয়ারী আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়েছে। অপরদিকে নারায়ণগঞ্জ ১০০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের জন্য আরো একটি অ্যাম্বুলেন্স আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের অপেক্ষায় রয়েছে।

উল্লেখ্য নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের আওতাধীন ৩টি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠানে সদর ও বন্দর এলাকার সাধারণ মানুষের স্বাস্থ্য সেবার নিশ্চিত ও মানোন্নয়নের জন্য নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য সেলিম ওসমানের চাহিদা পত্রের পরিপ্রেক্ষিতে গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের কর্র্তৃক গত ১৫ জানুয়ারী তিনটি অ্যাম্বুলেন্স বরাদ্দ হস্তান্তর করা হয়।

অ্যাম্বুলেন্স বরাদ্দ পাওয়া স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠান গুলোর মধ্যে রয়েছে খানপুর ৩০০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতাল, নারায়ণগঞ্জ ১০০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল এবং বন্দর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স।

উল্লেখ্য, খানপুর হাসপাতালটিকে মেডিকেল কলেজে রূপান্তরিত করার লক্ষ্য নিয়ে সরকারী ভাবে খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালকে ৫০০ শয্যায় উন্নীতকরনের কাজ চলমান রয়েছে। সেই লক্ষ্যে ১৫০ কোটি টাকা ব্যয়ে হাসপাতালে আধুনিক ভবন নির্মাণের কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এর আগে যখন সরকারী ভাবে উন্নয়ন শুরুর আগে হাসপাতালটি অত্যন্ত বেহাল দশায় পরিণত হয়ে ছিল, সেই সময় তিনি খানপুর ৩০০ শয্যা হাসপাতালের উন্নয়নে নিজস্ব ও ব্যবসায়ীদের সহযোগীতায় হাসপাতালে ১৪০টি বৈদ্যুতিক পাখা, বিশুদ্ধ খাবার পানির ব্যবস্থায় ১টি ডিপটিউওয়েল, সার্বক্ষনিক বিদ্যুৎ ব্যবস্থায় সরকারী জেনারেটর সংস্কার, হাসপাতালের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে ৬৩টি সিসি টিভি ক্যামেরা স্থাপন, ২টি নতুন অ্যাম্বুলেন্স, হাসপাতালের সম্মেলন কক্ষ আধুনিকায়ন, ডাক্তারদের ডিজিটাল হাজিরা মেশিন স্থাপন, সরকারী বিকল ২টি অ্যাম্বুলেন্স সংস্কার সহ বিভিন্ন উন্নয়ন কর্মকান্ড করা হয়। যার আনুমানিক ব্যয় হয়েছিল ৩ কোটি টাকা। এছাড়াও ১০০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালের হাসপাতালে বিশুদ্ধ খাবার পানি সরবরাহ নিশ্চিত করতে ৪ লাখ টাকা ব্যয়ে পূর্বের সরকারী ডিপটিউবওয়েল মেরামত এবং নতুন করে আরো ২টি ডিপটিউবওয়েল স্থাপন করে দিয়েছেন।

1