সম্পত্তির ওয়ারিশ দাবি করার সৎ মায়ের ইন্ধনে যুবককে হত্যার উদ্দেশে রক্তাক্ত জখম

1

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম:  নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার ফতুল্লায় পৈত্রিক সম্পত্তির ওয়ারিশ দাবি করার জের ধরে সৎ মা সহ তার ভাড়া করা লোকজন পরিকল্পিত ভাবে প্রবাসী ফেরৎ শহিদুল্লাহকে হত্যার উদ্দেশে ধারালো অস্ত্র দিয়ে আঘাত করে রক্তাক্ত জখম করেছে। এমনকি তাকে ধারালো অস্ত্র দিয়ে চোখ তুলে নেয়ার চেষ্টা করে।

রোববার (১৫ মার্চ) রাত সাড়ে ১১ টার দিকে ফতুল্লার বক্তাবলীর গঙ্গানগর এ ঘটনা ঘটলে সোমবার দুপুরে আহত শহিদুল্লাহ স্ত্রী বাছিরুন বেগম বাদী হয়ে ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করে।

অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, বক্তাবলীর কানাইনগর এলাকার বাসেদ মিয়ার ছেলে শহিদুল্লাহ চাকরী করার উদ্দেশে দুবাই যায়।

সেখান থেকে বাড়িতে ঘর নির্মান সহ জমি ক্রয়ের জন্য সৎ মা আমেলা বেগমের নিটক ৮ লাখ টাকা পাঠায়। ৮ বছর দুবাই থেকে দেশে ফিরে আসে বিয়ে করে। আর দেশে বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা ও পৈত্রিক সূত্রে পাওয়া ওয়ারিশের সম্পত্তি অংশ বুঝিয়ে না দিয়ে শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে আসছিল। একপর্যায়ে শহিদুল্লাহকে বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি হুমকি দিয়ে বাড়ি থেকে বের করে দেয়। এর পর শহিদুল্লাহ স্ত্রীকে নিয়ে কানাইনগরে বসবাস করতে থাকে। পরবর্তীতে পিতার সম্পত্তির ওয়ারিশ ও বিদেশ থেকে পাঠানো টাকা তাগাদা দিলে কোন ধরনের কর্ণপাত না করে হুমকি দিয়ে আসছিল। আর শহিদুল্লাহর সৎ মা আমেলা বেগমের ইন্ধনে গঙ্গানগরের আলিম উদ্দিন, জাকির হোসেন ও সৎ ভাই রাজু, আসাদুল্লাহ সহ অজ্ঞাত আরো কয়েকজন মিলে রোববার রাতে শহিদুল্লাহকে খবর দিয়ে গঙ্গানগর নিয়ে পরিকল্পিত ভাবে লোহার দিয়ে এবং ধারালো অস্ত্র দিয়ে শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। এসময় শহিদুল্লাহর হাতের নখ তুলে ফেলে এবং চোখ তুলে ফেলতে জখম করে। পরে শহিদুল্লাহর চিৎকারে আশে পাশের লোকজন এসে তাকে উদ্ধার করে তার স্ত্রীকে খবর দিয়ে হাসপাতালে নিয়ে যায়।

ফতুল্লা মডেল থানার এসআই মিজানুর রহমান-১ জানান, শহিদুল্লাহকে মারধর করার ঘটনায় একটি অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনার তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।

1