২ ইয়াবা পাচারকারী গ্রেফতার, ৯৮০ পিস ইয়াবা উদ্ধার

1

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম:  র‌্যাব প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে সমাজের বিভিন্ন অপরাধের উৎস উদঘাটন, অপরাধীদের গ্রেফতার আইন শৃঙ্খলার সামগ্রিক উন্নয়নে নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে। বিভিন্ন অপরাধীদের গ্রেফতার করে আইনের আওতায় আনার জন্য র‌্যাব ফোর্সেস নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে থাকে। বিশেষ করে সংঘবদ্ধ মাদক পাচারকারীদের গ্রেফতার করতঃ মাদকের করাল গ্রাস থেকে যুব সমাজ তথা দেশকে বাচাঁতে র‌্যাব নিয়মিত অভিযান পরিচালনা করে আসছে।

এরই ধারাবাহিকতায় গোপনসূত্রে প্রাপ্ত তথ্যের ভিত্তিতে অদ্য ২৫ মার্চ ২০২০ খ্রিষ্টাব্দ রাত ০৩৩০ ঘটিকার সময় র‌্যাব-১১ এর মাদক বিরোধী অভিযানে নারায়ণগঞ্জ জেলার সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন চিটাগংরোড হতে ৫৮০ পিস ইয়াবাসহ ও মাদক বিক্রির নগদ ৫৯০০/- টাকাসহ ০২ জন মাদক পাচারকারীকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো ১। মাহেন্দ্র নাথ(৩২) ও ২। মোঃ জিহাদ ইসলাম(৩২)।

গোপনসূত্রে জানা যায় কক্সবাজারের ২জন ইয়াবা পাচারকারী দীর্ঘদিন ধরে নিয়মিতভাবে অভিনব কৌশলে বাসযোগে ইয়াবা পাচার করে আসছে। এরই ধারাবাহিকতায় অদ্য ২৫ মার্চ ২০২০ খ্রিষ্টাব্দে উক্ত ইয়াবা পাচারকারীরা একই কৌশলে কক্সবাজার হতে বাসযোগে ঢাকায় ইয়াবা নিয়ে আসছে। উক্ত সংবাদের ভিত্তিতে র‌্যাব-১১ এর একটি আভিযানিক দল রাত ০৩৩০ ঘটিকার সময় নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জ থানাধীন ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে চিটাগাংরোডে চেকপোষ্ট স্থাপন করে। চেকপোষ্টে গাড়ী থামিয়ে তল্লাসীকালে কক্সবাজার হতে ঢাকাগামী ষ্টার লাইন সি­পিং কোচ থেকে নেমে দ্রুত গতিতে পালিয়ে যাওয়ার সময় সন্দিগ্ধ হিসেবে মাহেন্দ্র নাথ ও মোঃ জিহাদ ইসলাম’কে আটক করা হয়। আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে মাহেন্দ্র নাথ এবং মোঃ জিহাদ ইসলামের কথা ও আচরণে অসংলগ্নতা ও অস্বাভাবিকতা প্রকাশ পেলেও ইয়াবা পাচারের বিষয়ে তারা অস্বীকার করে। অতঃপর নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ এবং তাদের দেহ তল্লাশী করে ৯৮০ পিস ইয়াবা উদ্ধার করা হয়।

গ্রেফতারকৃতদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ ও প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা যায় গ্রেফতারকৃত মহেন্দ্র নাথ এর বাড়ি লালমনিরহাট জেলার কালিগঞ্জ থানাধীন দক্ষিণ গোপাল রায় এলাকায় এবং মোঃ জিহাদ ইসলাম এর বাড়ি ঢাকা জেলার ধামরাইল থানাধীন বেলীশ¡র এলাকায়। গ্রেফতারকৃত আসামী ০২জনই চাকুরীচ্যুত সেনা সদস্য। মহেন্দ্র নাথ ২০১৭ সালে চুরির দায়ে তাকে চাকুরীচ্যুত করা হয় এবং জিহাদ ইয়াবা সেবনের দায়ে ২০১৮ সালে চাকুরীচ্যুত করা হয়। চাকুরীচ্যুত হয়ে তারা মাদক ব্যবসা শুরু করে। সে দীর্ঘদিন যাবৎ অভিনব কৌশলে কক্সবাজারের টেকনাফ হতে বাসযোগে নারায়ণগঞ্জ, ঢাকা ও এর আশপাশের এলাকায় অভিনব পন্থায় নিষিদ্ধ মাদকদ্রব্য ইয়াবা পাচার ও সরবরাহ করে আসছিল। জিজ্ঞাসাবাদে আরো স্বীকার করে যে, তারা পরস্পর যোগসাজসে দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক ব্যবসা করে আসছে এবং তাদের একমাত্র পেশা ছিল মাদক ব্যবসা।

গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। বিশেষ প্রেস বিজ্ঞপ্তি

1