৩ মানব পাচারকারীকে কিশোরগঞ্জ থেকে গ্রেফতার

1

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম:  বিদেশে গিয়ে ভালো চাকরী করার স্বপ্ন অনেকেরই থাকে। কিন্তু বিদেশে যাওয়ার সঠিক নিয়ম কানুন না জানার কারণে অনেকেই প্রতারণার শিকার হয়। সাম্প্রতিক সময়ে বিদেশে বাংলাদেশী শ্রমিকদের সুনাম ও চাহিদার প্রেক্ষিতে বিপুল পরিমান জনশক্তি বিদেশে রপ্তানী হচ্ছে। তাদের কষ্টার্জিত আয় আমাদের অর্থনীতিতে এক গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখছে। এ সুযোগে বাংলাদেশের এক শ্রেনীর অসাধু দালাল চক্র স্বল্প আয়ের মানুষদের প্রলোভন দেখিয়ে আন্তর্জাতিক চক্রের যোগসাজসে বিদেশে অবৈধভাবে প্রেরণ করছে। এ ধরনের প্রতারণার শিকার সাধারণ নিরীহ জনগণ পৃথিবীর বিভিন্ন দেশে মানবেতর জীবন যাপন করছে। এদের অনেকেই ঝুঁকিপূর্ণ পথে বিদেশ গমনের পূর্বেই মৃত্যুর মুখে পতিত হচ্ছে। এছাড়াও অবৈধভাবে বিদেশে অবস্থানরত প্রবাসী বাংলাদেশীরা নৃশংস হত্যাকান্ডের মত ঘটনার শিকার হচ্ছে। এ ধরনের গর্হিত অপরাধের সাথে যুক্তদের আইনের আওতায় আনা ও তাদের মূল উৎঘাটনের লক্ষ্যে র‌্যাব সর্বদা সক্রিয় ভূমিকা পালন করে আসছে।

সম্প্রতিক সময়ে গত ২৮ মে ২০২০ ইং তারিখে লিবিয়ায় মিজদা শহরে নৃশংস হত্যাকান্ডে ২৬ বাংলাদেশী নিহত এবং ১১ বাংলাদেশী মারাত্মকভাবে আহত হয়। ঘটনার পর থেকে দূতাবাসের পক্ষ থেকে আহতদের সাথে সাক্ষাৎ করে ঘটনার কারন এবং ঘটনার সহিত জড়িতদের চিহ্নিত করার চেষ্টা করা হয়। উক্ত ঘটনায় কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরবের ০৬ জন নিহত এবং ০৩ জন আহত হয়।

নিহতরা হচ্ছে ১। মোহাম্মদ আলী(২৫), ২। মাহবুবুর রহমান (২১), ৩। রাজন চন্দ্র দাস (২৭), ৪। সাকিব মিয়া (১৮), ৫। সাদ্দাম হোসেন আকাশ(২৫), ৬। শাকিল(২০)।

আহতরা হচ্ছে ১। সৌরভ আহম্মেদ সোহাগ(২২), ২। মোঃ সজল মিয়া(২০), ৩। মোঃ জানু মিয়া(২৭)।

২০১৯ সালের মাঝামাঝি সময়ে কিছু অসাধু দালালের মাধ্যমে অবৈধভাবে উপরোক্ত ব্যক্তিরা লিবিয়ায় যায়। পরবর্তীতে তারা দালালদের প্রতারণার ফাঁদে পরে হামলার শিকার হয়। এই বর্বরচিত ঘটনায় মূল উদ্ঘাটন করতে গিয়ে দেখা যায় যে, অবৈধভাবে ইউরোপ যাওয়ার জন্য দালাল চক্র ইউরোপে উন্নত জীবনের মিথ্যা প্রলোভন দেখিয়ে প্রতিনিয়ত অসহায় বাংলাদেশীদের অবৈধভাবে নৌ-পথে এবং দুর্গম মরুপথ দিয়ে পাঠিয়ে আসছে। এই অবৈধ অভিবাসীদের দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে জিম্মি করে প্রতিনিয়ত মুক্তিপণ দাবী এবং শারীরিক নির্যাতন করে আসছে। উল্লেখিত প্রাণহানীর ঘটনায় আন্তর্জাতিক ও দেশীয় মিডিয়ায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। বর্ণিত ঘটনার প্রেক্ষিতে ভিকটিমদের আত্মীয়স্বজন কর্তৃক কিশোরগঞ্জ জেলার ভৈরব থানায় মানবপাচার বিরোধী আইনে মামলা রুজু হয়েছে।

উল্লেখিত ঘটনার প্রেক্ষিতে র‌্যাব-১৪ প্রাথমিক পর্যায়ে উক্ত ঘটনার সাথে জড়িতদের চিহ্নিত করার লক্ষ্যে ছায়া তদন্ত শুরু করে গোয়েন্দা নজরদারী বৃদ্ধি করে। এরই ধারাবাহিকতায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে কিশোরগঞ্জের ভৈরবের বিভিন্ন স্থানে অভিযান পরিচালনা করে উক্ত ঘটনাগুলোর সাথে জড়িত ০৩ জন দালালকে গ্রেফতার করা হয়। গ্রেফতারকৃতরা হলো ১। মোঃ হেলাল মিয়া ওরফে হেলু (৪৫), পিতা-মৃত আব্দুল আহাদ মিয়া, সাং-শম্ভুপুর, ২। মোঃ খবির উদ্দিন(৪২), পিতা-মৃত আব্দুর রশিদ, সাং-তাতার কান্দি, ৩। শহিদ মিয়া (৬১), পিতা-মৃত সুরুজ মিয়া সরকার, সাং-লক্ষ্মীপুর, সর্ব থানা-ভৈরব, জেলা-কিশোরগঞ্জ।

গ্রেফতারকৃত আসামীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায় যে, নিহত মোহাম্মদ আলী ও মাহবুব এবং আহত জানু মিয়া কুখ্যাত মানব পাচারকারী মোঃ হেলাল মিয়া ওরফে হেলু, এবং মোঃ খবির উদ্দিন এর মাধ্যমে অবৈধভাবে প্রতি জন ৩,০০,০০০ টাকা দিয়ে লিবিয়া যায়। উল্লেখ্য নিহত সাকিব, আকাশ, শাকিল এবং আহত সোহাগ কুখ্যাত দালাল তানজিল (বর্তমানে লিবিয়ায় অবস্থিত), নাজমুল (তানজিলের ভাতিজা), জুবুর আলী এবং মিন্টু মিয়া এর মাধ্যমে প্রতি জন ৪,০০,০০০ টাকা করে কন্ট্রাকের মাধ্যমে অবৈধভাবে লিবিয়া যায়। নিহত রাজন চন্দ্র দাস কুখ্যাত দালাল জাফর ও তার স্ত্রী রুপা আক্তার, মানিক, হিরা এবং শহিদ মিয়া এর মাধ্যমে ৪,০০,০০০ টাকা দিয়ে অবৈধ ভাবে লিবিয়া যায়।

উল্লেখ্য মানিক ও জাফর লিবিয়ায় থেকে মানব পাচারকারবারীর নেতৃত্ব দেয় এবং বাংলাদেশে তাদের হয়ে লোক সংগ্রহ করা, আর্থিক লেনদেনসহ যাবতীয় কার্য পরিচালনা করতেন শহিদ মিয়া, হিরা, রুপা আক্তার এবং হযরত আলী। বাংলাদেশে তানজিলের মানব পাচার কারবারী পরিচালনা করতেন তার ভাতিজা নাজমুল, জুবুর আলী এবং মিন্টু মিয়া।

উল্লেখিত মানব পাচারকারীদেরকে জিজ্ঞাসাবাদে আরো জানা যায় যে, তাহারা মিথ্যা আশ্বাস দিয়ে বিদেশে কর্মসংস্থানের প্রলোভন দেখিয়ে বিদেশী চক্রের সাথে যোগসাজসে অবৈধভাবে বাংলাদেশী নাগরিকদের বিভিন্ন দেশে পাঠিয়ে আসছে। এই সিন্ডিকেটটি নিম্মোক্তভাবে ০৪ টি ধাপে কাজগুলো করতো বলো জানায়ঃ

ক। বিদেশে যেতে ইচ্ছুক নির্বাচন।
খ। বাংলাদেশ হতে ভারত (কলকাতায়) পাঠানো।
গ। ভারত (কলকাতা) হতে লিবিয়ায় পাঠানো।
ঘ। লিবিয়া হতে ইউরোপে পাঠানো।

 বিদেশে যেতে ইচ্ছুক নির্বাচনঃ বিদেশে যেতে ইচ্ছুক নির্বাচনকালে এই চক্রের দেশীয় এজেন্টরা প্রত্যন্ত অঞ্চলের স্বল্প আয়ের মানুষদের অল্প খরচে উন্নত দেশে যাওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে আকৃষ্ট করে থাকে। ভাগ্য পরিবর্তনের আশায় অনেকেই তাদের প্রস্তাবে সাড়া দেয়। এই বিদেশ যেতে ইচ্ছুকদের বিদেশে যাওয়ার ক্ষেত্রে পাসর্পোট তৈরি, ভিসা সংগ্রহ, টিকেট ক্রয় ইত্যাদি কার্যাবলী এই সিন্ডিকেটের তত্ত্ববধানে সম্পন্ন হয়ে থাকে। পরবর্তীতে তাদেরকে এককালীন বা ধাপে ধাপে কিস্তি নির্ধারণ করে ইউরোপের পথে পাড়ি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হয়। সিন্ডিকেটের সদস্যরা প্রার্থীদের সামর্থ অনুযায়ী ধাপ নির্বাচন করে থাকে। ইউরোপ গমনের ক্ষেত্রে তারা ৬-৭ লক্ষ টাকার বেশী অর্থ নিয়ে থাকে: তন্মধ্যে ৩,০০,০০০.০০-৪,০০,০০০.০০ টাকা লিবিয়ায় যাওয়ার পূর্বে এবং বাকি ২-৩ লক্ষ টাকা লিবিয়ায় যাওয়ার পর ভিকটিমের আতœীয় স্বজনের নিকট থেকে নেয়।
বাংলাদেশ হতে লিবিয়ায় পাঠানোঃ বাংলাদেশ হতে লিবিয়ায় পাঠানোর ক্ষেত্রে এই চক্রের সদস্যরা বেশ কয়েকটি রুট ব্যবহার করে থাকে। উক্ত রুটগুলো তারা সুযোগ সুবিধা অনুযায়ী মাঝে মধ্যে পরিবর্তন অথবা নতুন রুট নির্ধারণ করে থাকে। সাম্প্রতিক সময়ে লিবিয়াতে পাঠানোর ক্ষেত্রে যে রুটটি ব্যবহার হয়ে আসছে বলে জানায়ঃ
বাংলাদেশ-কলকাতা-মুম্বাই-দুবাই-মিশর-বেনগাজি-ত্রিপলী(লিবিয়া)
দুবাইয়ে পৌঁছে তাদেরকে বিদেশী এজেন্টদের তত্ত্বাবধানে ৭/৮ দিন অবস্থান করানো হয়ে থাকে। বেনগাজীতে পাঠানোর লক্ষ্যে বেনগাজী হতে এজেন্টরা কথিত “মরাকাপা” নামক একটি ডকুমেন্ট দুবাই পাঠিয়ে থাকে। যা দুবাইয়ে অবস্থানরত বিদেশী এজেন্টদের মাধ্যমে ভিকটিমদের নিকট হস্তান্তর করা হয। অতঃপর উক্ত ডকুমেন্টসহ বিদেশী এজেন্ট তাদেরকে মিশর ট্রানজিট নিয়ে বেনগাজী লিবিয়ায় পাঠায়। বেনগাজীতে বাংলাদেশী এজেন্ট তাদেরকে বেনগাজী হতে ত্রিপলীতে স্থানান্তর করে।
৮। লিবিয়া হতে ইউরোপ পাঠানোঃ ভিকটিমরা ত্রিপলীতে পৌছানোর পর ত্রিপলীতে অবস্থানরত বাংলাদেশী কথিত কয়েকজন এজেন্ট তাদের গ্রহন করে থাকে। তাদেরকে ত্রিপলীতে বেশ কয়েকদিন অবস্থান করানো হয়। অতঃপর ত্রিপলীতে অবস্থানকালীন সময়ে বর্ণিত এজেন্টদের দেশীয় প্রতিনিধির দ্বারা ভিকটিমদের আতœীয়স্বজন হতে অর্থ আদায় করে থাকে। অতঃপর ভিকটিমদের ত্রিপলী বন্দর এলাকায় একটি সিন্ডিকেটের নিকট অর্থের বিনিময়ে ইউরোপে পাচারের উদ্দেশ্যে তাদেরকে হস্তান্তর করা হয়। উক্ত সিন্ডিকেট তাদের একটি নিদিষ্ট স্থানে রেখে থাকে। অতঃপর উক্ত সিন্ডিকেট সমুদ্রপথ অতিক্রম করার জন্য নৌ-যান চালনা এবং দিক নির্ণয়যন্ত্র পরিচালনা সহ আনুসাঙ্গিক বিষয়ের উপর নানাবিধ প্রশিক্ষন দিয়ে থাকে। একটি নির্দিষ্ট দিনে ভোর রাতে এক সঙ্গে কয়েকটি নৌ-যান লিবিয়া হয়ে তিউনেশিয়া উপকূলীয় চ্যানেলের হয়ে ইউরোপের পথে রওনা দেয়। এভাবে ঝুকিপূর্ণ পথে যাওয়ার সময় ভিকটিমরা ভূমধ্যসাগরে মাঝে মধ্যেই দূর্ঘটনার শিকার হয় এবং জীবনাবসানের ঘটনা ঘটে থাকে।

লিবিয়ায় নতুনভাবে আরও ০৮ বাংলাদেশী জিম্মি ও মুক্তিপণ দাবি ঃ গত ১৮/০২/২০২০ইং তারিখে প্রথমে বোরহান উদ্দিন, পিতা-আব্দুল মোতালিব, সাং-বীর কাশিমনগর, থানা-কুলিয়ারচর, জেলা-কিশোরগঞ্জ’কে কুখ্যাত দালাল মোঃ খবির উদ্দিন, পিতা-মৃত আব্দুর রশিদ, সাং-তাতার কান্দি, সর্ব থানা-ভৈরব, জেলা-কিশোরগঞ্জ ৪,০০,০০০ টাকার বিনিময় লিবিয়ায় অবৈধভাবে পাঠানোর উদ্দেশ্যে ভারতের কলকাতায় পাঠায়। কলকাতা থেকে বিমানে লিবিয়ায় যাওয়ার পর বোরহান উদ্দিন গত ১০/০৫/২০২০ ইং তারিখে লিবিয়ার একটি প্রতারক চক্রের খপ্পরে পরে। উক্ত প্রতারক চক্র বোরহান উদ্দিনকে নির্যাতন করে ভিডিও ধারন করে এবং উক্ত ভিডিও ওগঙ এর মাধ্যমে বোরহান উদ্দিনের স্ত্রীর নিকট গত ২৯/০৫/২০২০ ইং তারিখ আনুমানিক ০১.৩০ ঘটিকার সময় পাঠায় এবং ফোন দিয়ে ১০,০০০ ইউএস ডলার চাঁদা দাবি করে। চাঁদা দিতে না পারলে তাকে হত্যা করা হবে বলে ওগঙ তে অডিও রেকর্ডের মাধ্যমে হুমকি দেয়। ভিকটিম বোরহান উদ্দিনের পরিবারের সাথে কথা বলে জানা যায় যে, বোরহান সহ মোট ০৮ জন বাংলাদেশীকে অপহরণকারীরা মুক্তিপণ আদায়ের লক্ষ্যে লিবিয়ার কোন অজ্ঞাত স্থানে জিম্মি করে রেখেছে।

গ্রেফতারকৃত মানব পাচারকারীরা লিবিয়াতে অবৈধভাবে পাঠানোর ক্ষেত্রে মূল হোতা হিসেবে কার্যক্রম চালিয়ে আসছিল। উক্ত মানব পাচারকারীরা বাংলাদেশী গরীব শ্রমিকদের বেশী টাকা উপার্জনের প্রলোভন দেখিয়ে অবৈধভাবে লিবিয়াতে পাঠানোর স্বপ্ন দেখায়। শ্রমিকরা এ সকল প্রলোভনের ফাঁদে পা দিয়ে জমিজমা বিক্রি করে দালালদেরকে ৩-৪ লাখ টাকা দিয়ে লিবিয়ার উদ্দেশ্যে পাড়ি জমায়। লিবিয়ায় পৌঁছানোর পরে পাচারকারী দলের সদস্যরা লিবিয়া থেকে ইউরোপের বিভিন্ন দেশে পাঠানোর কথা বলে ভিকটিমদের জিম্মি করে অতিরিক্ত টাকা দাবি এমনকি শারীরিক নির্যাতন করে এবং উক্ত নির্যাতনের ভিডিও ভিকটিমদের পরিবারের নিকট পাঠিয়ে অথবা মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে ভিকটিমের পরিবারের কাছে মুক্তিপণ দাবি করে। ভিকটিমের পরিবার স্বজনদের জীবন বাঁচাতে টাকা পাঠাতে বাধ্য হয়। অবৈধভাবে এ অভিবাসন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করতে ভিকটিমদের মাঝেমধ্যে সলিল সমাধির মত ঘটনা ঘটে। আবার কিছু কিছু শ্রমিকরা বিভিন্ন গহীন জঙ্গলে অর্ধাহারে-অনাহারে থেকে মানবেতর জীবন জাপন করে সেখানকার আইন শৃঙ্খলা বাহিনী কর্তৃক গ্রেফতার হয়। যা জাতীয় ও আন্তজার্তিক পরিমন্ডলে দেশ ও সরকারের ভাবমূর্তি ব্যাপকভাবে ক্ষুন্ন করে। র‌্যাব দীর্ঘদিন যাবৎ এই মানবপাচারকারীদের বিরুদ্ধে অভিযান পরিচালনা করে আসছে। তারই ধারাবাহিকতায় অদ্য ১। মোঃ হেলাল মিয়া ওরফে হেলু, ২। মোঃ খবির উদ্দিন, ৩। শহিদ মিয়া’কে গ্রেফতার করা হয়।

উপরোক্ত ঘটনা সংক্রান্তে গ্রেফতারকৃত আসামীদের বিরুদ্ধে আইনানুগ কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

1