ফতুল্লার বিসিক শিল্পাঞ্চলে দুই সিকিউরিটি গার্ডের লাশ উদ্ধার

1

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম:   ফতুল্লা থানাধীন বিসিক শিল্পাঞ্চলে লতিফ নীট ওয়্যারের দুই সিকিউরিটি গার্ডের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ ।এ ঘটনা ঘটেছে গত ২২ মার্চ দিবাগত রাত ৩টায়। আর এই লাশ নিয়ে বইছে সমালোচনা আর আলোচনার ঝড় । পুলিশ ও মালিক পক্ষের বক্তব্য মালবাহী লোড ট্রাকের চাক্কার পৃষ্টে সড়ক দূঘটনায় মারাগেছে। অপরদিকে, নিহতের পরিবারের দাবী তাকে হত্যা করে রাস্তা ফেলে দেয়া হয়েছে । এ ঘটনায় নিহত আশরাফুল ইসলামের ছেলে আনোয়ার হোসেন বাদী হয়ে একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে।
এলাকাসূত্রে জানা যায়, ফতুল্লার বিসিক শিল্পাঞ্চলের ২নং গেইটের ৫ নং গলিতে লতিফ নীট ওয়্যারে দীর্ঘদিন সিাকউরিটিগার্ড পদে চাকুরী করেন মো: আশরাফুল ইসলাম (৭০)। সে নাটোর জেলার শিংরা থানাধীন কাদির গাছা গ্রামের মৃত তাইজুদ্দিনের ছেলে। সে ফতুল্লার হাজীগঞ্জ এলাকায় হাজী সামশুল ইসলামের বাড়িতে পরিবার নিয়ে ভাড়া থাকেন। প্রতিদিনের ন্যায় গত ২২ জুন রাতে সে বিসিক তার কর্মস্থলে ডিউটিতে আসেন। তার সহকর্মী লাল চাঁদ রায় (৩৮)। সে এনায়েতনগর হরিহরপাড়া এলাকায় রতন দাসের বাড়িতে ভাড়া থাকে। সে নীলফামারী জেলার জলঢাকা থানাধীন দোলাপাড়া গ্রামের শ্রী সুরেন চন্দ্র রায়ের ছেলে। সে ও বিসিক লতিফ নীট ওয়্যারে সিকিউরিটি গার্ড পদে চাকুরী করে আসছে। গত ২২ জুন দিবাগত রাতে তাদের দু জনেরই লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। এই লাশ নিয়ে চলছে নানা মন্তব্য । মালিক পক্ষ ও পুলিশ সূত্রে জানা য্য়া, আশরাফুল ইসলাম ও তার সহকর্মী লালচাঁদ চন্দ্র তাদের প্রতিষ্ঠানের সামনের রাস্তায় ডিউটি চলাকালীন অবস্থায় ঐ রাতে ঘুমিয়ে পড়ে। এ সময় (ঢাকা মেট্রো- উ-১৪-২৮৪৮ নম্বর প্লেটের) ট্রাকের চাক্কার পৃষ্ঠে নিহত হয়। তারা জানান, ময়মনসিংহ ভালুকা থেকে ট্রাকটি ভুল করে এই রাস্তায় এসেছে। সঠিক রাস্তা যাওয়ার সময় চালকের অসাবধানতার কারনে পেছনের চাক্কায় পৃষ্ঠ হয়ে ঘুমিয়ে থাকা অবস্থায় আশরাফুল ইসলাম ও লালচাঁদ চন্দ্র রায় মারা যায়। পরে আশেপাশের লোক ছুটে আসলে ট্রাকটি সু কৌশলে পালিয়ে যায়। সিসি ক্যামেরায় ট্রাকের নম্বর ও ঘটনার বিবরনী জানান মালিক পক্ষে। পরে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে ময়না তদন্তের জন্য লাশ দুইটি মর্গে প্রেরণ করেছে। ময়না তদন্তের রিপোর্ট পেলে জানা যাবে তারা কি ভাবে মারা গল বা কেন তারা রাস্তায় ঘুমিয়ে পড়লো এমনটাই বলছে পুলিশ।
পরিবারের সদস্যের বক্তব্য হলো আশরাফুল ইসলাম ও লালচাঁদকে পরিকল্পিত ভাবে হত্যা করা হয়েছে। মালিক পক্ষ হত্যার ঘটনা ধামাচাপা দেয়ার জন্য সড়ক দূঘর্টনার নাটক সাজিয়েছে। যে ফ্যাক্টরীতে কোন সময় নাইট ডিউটি চলাকালীন গেইট খোলে না। তাহলে দুই জন সিকিউরিটি গার্ড গেইটের বাহিরে রইল এবং ঘুমিয়ে পড়লো রাস্তায় তা কেহ একটু দেখলো না বিষয়টি নিয়ে পরিবারের মধ্যে সন্দেহে কাজ করছে। সচেতন মহলের দাবী ঘটনার আড়ালে হয়তো ঘটনা রয়েছে পুলিশ সঠিক তদন্ত করলে আসল রহস্যের জট খুলবে।
####################
নিজস্ব সংবাদদাতা : ফতুল্লার মুসলিম নগর এলাকায় বিয়ের প্রলোভন দিয়ে গামেন্টর্স কর্মী সুমি (১৫) (ছদ্মনাম)এর এক কিশোরীকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করেছে লম্পট সৈকত (২২)। এ ব্যাপারে ভিকটিম নিজেই বাদী হয়ে প্রেমিক সৈকতের বিরুদ্ধে ফতুল্লা মডেল থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। এ ঘটনা ঘটেছে গত ২১ জুন রাত ১০টা থেকে ২২জুন বিকেল ৪টা পযর্ন্ত ।
এ অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, পাবনা জেলার আতাই খোলা থানাধীন কৃষ্ণপুর গ্রামের মোঃ আমিনের মেয়ে সুমি আক্তার (ছদ্মনাম)। সে মুসলিম নগর আদর্শপাড়ার রতন মিয়ার বাড়িতে ভাড়া থাকেন। সে বিসিক এলাকায় একটি গার্মেন্টেসে চাকুরী করে। এ সুবাদে আসা যাওয়ার পথে আরেক গামের্ন্টস কর্মী সৈকতের সাথে পরিচয় হয়। সৈকত মুসলিম নগর নয়া বাজারের পেছনে ভাড়া থাকে। এক পর্যায় তাদের মধ্যে ভালোবাসা সৃষ্টি হয়। ভালোবাসার সূত্র ধরে সৈকত সুমিকে প্রতিনিয়ত যোগাযোগ করে কথাবার্তা বলে। গত ২১ জুন রাত ১০টায় সুমিকে সৈকত তার বাসায় ডেকে নেয় । পরে বিয়ের প্রলোভন দিয়ে জোরপূবর্ক পরের দিন অর্থাৎ ২২ জুন বিকেল ৪টা পর্যন্ত বাসায় রেখে বেশ কয়েকবার শাররিক মেলামেশা করে ভয়ভীতি হুমকী দিয়ে ছেড়ে দেয়। পরে সৈকত তার মোবাইল বন্ধ করে পালিয়ে যায়। পরে সুমি ফতুল্লা থানায় এসে লিখিত অভিযোগ দেয়।

1