এপ্রিলে টেস্ট খেলতে শ্রীলঙ্কা যাবে বাংলাদেশ

1

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টি ফোর ডটকম: অবশেষে টেস্ট সিরিজ খেলতে শ্রীলঙ্কা যাচ্ছে বাংলাদেশ ক্রিকেট দল। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা নিজামুদ্দিন চৌধুরী সুজন। তবে এটি নতুন কোনো আয়োজন নয়। ২০২০ এর জুনে টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের এই দুটি ম্যাচ মাঠে গড়ানোর কথা ছিল। কিন্ত করোনা মহামারির কারণে তখন বাংলাদেশ লঙ্কা সফরে যেতে রাজি হয়নি। গেল বছর অক্টোবরে আবারো সিরিজটি হওয়ার কথা ছিল। টাইগাররা করোনা বিরতি ভেঙে মাঠে প্রস্ততি নিতে শুরু করে। কিন্তু শেষ মুহূর্তে করোনা নিরাপত্তার কঠিন শর্ত জুড়ে দেয় লঙ্কান ক্রিকেট বোর্ড।
আর সেই শর্তে বিসিবি রাজি না হওয়ায় ফের স্থগিত হয়েছিল আসরটি। এ বিষয়ে বিসিবির সিইও নিজামুদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘আমাদের সঙ্গে শ্রীলঙ্কা বোর্ডের যোগাযোগ হচ্ছে। তাতে এখন পর্যন্ত টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের যেই দুটি ম্যাচ আছে সেটি চূড়ান্ত হয়েছে। দুটি টেস্ট ম্যাচ এক ভেন্যুতেই হবে। আমরা আশা করি এপ্রিলের ১২-১৫ তারিখের মধ্যে যে কোনো একটা সময় বাংলাদেশ দল শ্রীলঙ্কা সফর করবে।’ নিজামুদ্দিন চৌধুরী বলেন, ‘যেহেতু স্বাগতিক দেশ এই (ভেন্যু) ঘোষণাটা দেয়, বিষয়টা তাদের কাছ থেকে আসলেই ভালো হবে।’ ধারণা করা হচ্ছে দুটি ম্যাচই হবে গল স্টেডিয়ামে।’ গেল অক্টোবরে বাংলাদেশ করোনার কোয়ারেন্টিন নিয়ে লঙ্কান বোর্ড কঠিন শর্ত দিলেও ইংল্যান্ডের জন্য সেটি তারা করেনি। যে কারণে বেশ সহজ শর্তেই ইংলিশরা শ্রীলঙ্কায় এসে সিরিজ খেলছে গেছে। এবার একই ধরনের সুবিধা পাবে বাংলাদেশ দলও। এমনটাই জানিয়েছেন নিজামুদ্দিন চৌধুরী। তিনি বলেন, ‘আমাদের জানা মতে শ্রীলঙ্কায় কোভিডের অবস্থার আগে থেকে উন্নতি হয়েছে। এর মধ্যে ইংল্যান্ড দল শ্রীলঙ্কা সফর করে গেছে। আমাদের বলা হয়েছে, ইংল্যান্ডকে যে ধরনের বিধি মেনে চলতে হয়েছে, আমাদেরও তাই করতে হবে।’
শ্রীলঙ্কাতেই বাংলাদেশ দল টেস্ট চ্যাম্পিয়নশিপের শেষ দুটি ম্যাচ খেলবে। এখন পর্যন্ত টাইগাররা নিজের নামের পাশে কোনো পয়েন্ট যোগ করতে পারেনি। এরপর নতুন করে ২০২৩ থেকে সূচি প্রকাশ করবে আইসিসি। সেখানে পয়েন্ট তালিকার তলানিতে থাকা দলটির জন্য টেস্ট খেলার সুযোগ কতটা বৃদ্ধি পাবে সেটি নিয়েও প্রশ্ন আছে। তবে নতুন সূচি নিয়ে সিইও বলেন, ‘২০২৩ পর্যন্ত তো একটা সূচি করাই আছে। সেক্ষেত্রে দ্বিতীয় চক্রের খেলাগুলো শুরু হবে। পরিকল্পনাটা সেভাবেই করা আছে। এরপর সদস্য দেশ যারা আছে, সবাই মিলে ২০২৩ এর পরে আগামী চার বছর বা আট বছরের একটি ভবিষ্যৎ সফর পরিকল্পনা করা হবে। এটা নিয়ে আমরা অন্য সদস্য দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনা করছি।’

1