প্রত্যেকটা ধর্মেই একটা নিয়ম নীতি আছে সেটা মেনেই কাজ করা উচিত–শামীম ওসমান

1

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম: নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনের সাংসদ সদস্য শামীম ওসমান বলেন,যারা বা যে এই কাজটি করিয়েছেন তারা প্রথমে চেষ্টা করেছেন সাম্প্রদায়িক সম্পর্ক নষ্ট করার জন্য। নারায়ণগঞ্জ কোন সাম্প্রদায়িককে অসাম্প্রদায়িক করতে চায় না। তা নাহলে এখানে প্রথম কবরস্থান পরে হিন্দুদের শ্মশান এবং খ্রিষ্টানদের কবরস্থান থাকতো না। আমরা যখন ছোট ছিলাম তখন দেখেছিলাম এখানে পিন্ডদান করা হতো। আগে উচিত ছিলো এখানে বেড়া দিয়ে কাজটি করার সেটা ভালো হতো। সেটা না করে যে কাজটি করেছে আমি এখন পর্যন্ত সিটি কর্পোরেশনের উর্ধতন কর্মকর্তারা,ইঞ্জিনিয়ার যারা সরকারের পয়সায় লালিত পালিত আমি তাদের দেখি নাই এখানে এবং আমার সাথে কথাও বলেনি অন্য কারো সাথে কথা বলার প্রশ্নও উঠেনি।
মঙ্গলবার (১০ আগস্ট)দুপুর ১২টায় মাসদাইরে নারায়ণগঞ্জ কেন্দ্রীয় সিটি কবরস্থান পরিদর্শন শেষে উক্ত কথা বলেন তিনি।
শামীম ওসমান তার পরিবারের পক্ষ থেকে মিডিয়ার সকল সাংবাদিকের ধণ্যবাদ জানিয়ে বলেন,আমি তো আপনাদের সহযোগিতায় আমার বাবা-মা,ভাইয়া,দাদীর কবর উদ্বার করলাম। কিন্তু এখানে অনেক বীরমুক্তিযোদ্ধাদের কবরেও যে মাটিগুলো দেওয়া হয়েছে তা এখানে আসতে পারে না। কারন প্রত্যেকটা ধর্মেই একটা নিয়ম ও নীতি আছে। এই নীতি মেনেই আমাদের কাজ করা উচিত। একটা মসজিদের সামনে ও ভিতরে কোরবানি দিতে পারি কিন্তু একটা মন্দিরের সামনে আমি কোরবানি দিতে পারি না।সেই হলো সাম্প্রদায়িক যে এ কাজ করে সে অসাম্প্রদায়িকতা চায়।
ওসমান পরিবারের ৩ সদস্যের নামে তিন স্থাপনার নামকরণে বিরুপ মন্তব্য করার প্রতিবাদ করে শামীম ওসমান বলেন,আমার বাবা সামসুজ্জোহা একজন ভাষা সৈনিক,মরণোত্তর স্বাধীনতা পদকপ্রাপ্ত, আমার মা ভাষা সৈনিক ও আমার ভাই বঙ্গবন্ধুর হত্যার পর প্রথম অস্ত্র হাতে লড়াই করেছে বীরমুক্তিযোদ্ধা সরকারের পক্ষ থেকে তাদের নামকরণ করা হয়েছে। এই নামকরণ করা হয়েছে ঢাকা-নারায়ণগঞ্জ লিংকরোড একেএম সামসুজ্জোহার নামে বঙ্গবন্ধুর সহচর। নাগিনা জোহা তার নামে নামকরণ করা হয়েছে চাষাড়া টু আদমজী,শীতলক্ষ্যা ব্রিজ করা হয়েছে নাসিম ওসমানের নামে।কে করেছে এ নামকরণ।অনুমোদন কে দেয় এই অনুমোদন দেয় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী কাছ থেকে কাগজ সব বিভাগে ঘুরে যায় রাষ্ট্রপতির কাছে অনুমতিক্রমে এই নামকরণ করা বাস্তবায়িত হয়।

এর আগে শামীম ওসমান তার বাবা-মা,বড় ভাই,দাদী ও অন্যান্য স্বজনদের কবর জিয়ারত করেন এবং তাদের কবরে চাদর চড়িয়ে আতর বিতরণ করেন।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক মীর সোহেল আলী,নারায়ণগঞ্জ মহানগর আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এড. খোকন সাহা,যুগ্ম সম্পাদক শাহ নিজাম, ফতুল্লা থানা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক এম শওকত আলী, মহানগর যুবলীগের সভাপতি শাহাদাৎ হোসেন ভূইয়া সাজনু,জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি এহসানুল হক নিপু,জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি সাফায়েত আলম সানি, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক লীগের সভাপতি মো. জুয়েল হোসেন,নাসিক ৬নং ওয়ার্ড কাউন্সিলর মতিউর রহমান মতি,এনায়েতনগর ইউপি চেয়ারম্যান মোঃ আসাদুজ্জামান,ফতুল্লা ভারপ্রাপ্ত ইউপি চেয়ারম্যান খন্দকার লূৎফর রহমান স্বপন প্রমুখ।

1