জীবন মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে খালেদা জিয়া, শনিবার সারাদেশে বিএনপির গণঅনশন

1

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টি ফোর ডটকমঃ  বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে সুচিকিৎসার দাবিতে আগামী ২০শে নভেম্বর সারাদেশে গণঅনশন কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি। বৃহস্পতিবার গুলশানস্থ বিএনপি চেযারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা জানান। মির্জা ফখরুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে সুচিকিৎসার দাবিতে আগামী ২০শে নভেম্বর সারাদেশে সকাল নয়টা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত গণঅনশন কর্মসূচি পালন করতে আমি সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি। ঢাকায় আমরা যদি ভালো কোন ভেন্যু না পাই তাহলে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আমাদের এই কর্মসূচি পালিত হবে।

তিনি বলেন, প্রায় সাড়ে তিন বছর খালেদা জিয়া কারারুদ্ধ। সরকার তাকে সাময়িকভাবে মুক্তি দিলেও তিনি স্বাধীন জীবনে ফিরতে পারেননি। শর্ত থাকায় তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে পারছেন না। করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে যাওয়ার পর থেকে তারা শারীরিক জটিলতা বাড়ছে। বিদেশে তার চিকিৎসার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার আবেদন করা হলেও অনুমতি দেয়া হচ্ছে না।

চিকিৎসকদের বরাতে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, করোনা আক্রান্ত হয়ে খালেদা জিয়ার ৫৩ দিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তখন তাকে পাঁচ ব্যাগ রক্ত দেয়া হয়েছে, যা তার মতো একজন বয়স্ক মানুষের জন্য জীবনের ঝুঁকি ছিল। গত ১২ অক্টোবর খালেদা জিয়া নতুন উপসর্গ নিয়ে আবার হাসপাতালে ভর্তি হন। তখন তার একটি বায়োপসি করা হয়। কিছুদিন বাসায় চিকিৎসা থাকার পর ১৩ নভেম্বর আবারও তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এবার রক্তদানের পাশাপাশি তার এন্ডোস্কপিও করা হয়েছে।

দেশে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা সম্ভব নয় বলে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, এখানে চিকিৎসা করে খালেদা জিয়াকে সুস্থ করা সম্ভব নয় বলে তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড বারবার বিএনপিকে জানিয়েছে। তারা তাকে বিদেশে উন্নত কোনো মেডিকেল সেন্টারে দ্রুত স্থানান্তরের কথা জানিয়েছে। মেডিকেল বোর্ড স্পষ্টভাবে বলেছে যে, খালেদা জিয়া এমন একটি অবস্থায় আছেন, তা এখন সমাধানযোগ্য। কিন্তু সময়োপযোগী চিকিৎসা দেওয়া না হলে তিনি যেকোনো মুহূর্তে ভিন্ন অবস্থায় যেতে পারেন। তখন আর কোনো চিকিৎসা কার্যকরের সুযোগ থাকবে না।

খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ না দেয়া অমানবিক- দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ। তিনি এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছেন। অনতিবিলম্বে খালেদা জিয়ার জীবন রক্ষায় তাকে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।

খালেদা জিয়াকে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেয়া প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রীর সংসদে দেওয়া বক্তব্য সঠিক নয় বলে দাবি করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আইনমন্ত্রী সংসদে বলেছেন-৪০১ ধারা অনুযায়ী সরকার যেকোনো দ-িত ব্যক্তিকে শর্তযুক্ত করে বা শর্ত ছাড়া মুক্তি দিতে পারে। সরকার খালেদা জিয়াকে শর্তযুক্ত করে মুক্তি দিয়েছে। এরপরই বলা আছে, সরকার চাইলে যেকোনো শর্ত যুক্ত করতে পারে। অর্থাৎ এটি সম্পুর্ণভাবে সরকারের এখতিয়ার।

তিনি বলেন, বিদেশে খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য নতুন করে আবেদন করা হয়েছে। অনুমতির বিষয়টি এখন সরকারের ওপর নির্ভর করছে।

সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, শাহজাহান ওমর, শামসুজ্জামান দুদু, আবদুল আউয়াল মিন্টু, জয়নাল আবেদীন, আহমেদ আজম খান, নিতাই রায় চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, আমান উল্লাহ আমান, হাবিবুর রহমান হাবিব, আবদুস সালাম, কেন্দ্রীয় নেতা খায়রুল কবির খোকন, কামরুজ্জামান রতন, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, জহির উদ্দিন স্বপন, নাজিম উদ্দিন আলম, আমিনুল হক, জেড খান, রিয়াজ উদ্দিন নসু, শায়রুল কবির খান প্রমুখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে সুচিকিৎসার দাবিতে আগামী ২০শে নভেম্বর সারাদেশে গণঅনশন কর্মসূচি পালন করবে বিএনপি। বৃহস্পতিবার গুলশানস্থ বিএনপি চেযারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এ কথা জানান। মির্জা ফখরুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়ার মুক্তি ও বিদেশে সুচিকিৎসার দাবিতে আগামী ২০শে নভেম্বর সারাদেশে সকাল নয়টা থেকে বিকাল চারটা পর্যন্ত গণঅনশন কর্মসূচি পালন করতে আমি সবাইকে আহ্বান জানাচ্ছি। ঢাকায় আমরা যদি ভালো কোন ভেন্যু না পাই তাহলে কেন্দ্রীয় কার্যালয়ের সামনে আমাদের এই কর্মসূচি পালিত হবে।

তিনি বলেন, প্রায় সাড়ে তিন বছর খালেদা জিয়া কারারুদ্ধ। সরকার তাকে সাময়িকভাবে মুক্তি দিলেও তিনি স্বাধীন জীবনে ফিরতে পারেননি। শর্ত থাকায় তিনি উন্নত চিকিৎসার জন্য বিদেশ যেতে পারছেন না। করোনা আক্রান্ত হয়ে হাসপাতালে যাওয়ার পর থেকে তারা শারীরিক জটিলতা বাড়ছে। বিদেশে তার চিকিৎসার জন্য পরিবারের পক্ষ থেকে বারবার আবেদন করা হলেও অনুমতি দেয়া হচ্ছে না।

চিকিৎসকদের বরাতে মির্জা ফখরুল ইসলাম বলেন, করোনা আক্রান্ত হয়ে খালেদা জিয়ার ৫৩ দিন হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। তখন তাকে পাঁচ ব্যাগ রক্ত দেয়া হয়েছে, যা তার মতো একজন বয়স্ক মানুষের জন্য জীবনের ঝুঁকি ছিল। গত ১২ অক্টোবর খালেদা জিয়া নতুন উপসর্গ নিয়ে আবার হাসপাতালে ভর্তি হন। তখন তার একটি বায়োপসি করা হয়। কিছুদিন বাসায় চিকিৎসা থাকার পর ১৩ নভেম্বর আবারও তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। এবার রক্তদানের পাশাপাশি তার এন্ডোস্কপিও করা হয়েছে।

দেশে খালেদা জিয়ার চিকিৎসা সম্ভব নয় বলে উল্লেখ করে মির্জা ফখরুল বলেন, এখানে চিকিৎসা করে খালেদা জিয়াকে সুস্থ করা সম্ভব নয় বলে তার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ড বারবার বিএনপিকে জানিয়েছে। তারা তাকে বিদেশে উন্নত কোনো মেডিকেল সেন্টারে দ্রুত স্থানান্তরের কথা জানিয়েছে। মেডিকেল বোর্ড স্পষ্টভাবে বলেছে যে, খালেদা জিয়া এমন একটি অবস্থায় আছেন, তা এখন সমাধানযোগ্য। কিন্তু সময়োপযোগী চিকিৎসা দেওয়া না হলে তিনি যেকোনো মুহূর্তে ভিন্ন অবস্থায় যেতে পারেন। তখন আর কোনো চিকিৎসা কার্যকরের সুযোগ থাকবে না।

খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার সুযোগ না দেয়া অমানবিক- দাবি করে মির্জা ফখরুল বলেন, বেগম খালেদা জিয়া গুরুতর অসুস্থ। তিনি এখন জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে আছেন। অনতিবিলম্বে খালেদা জিয়ার জীবন রক্ষায় তাকে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেওয়ার ব্যবস্থা করা হোক।

খালেদা জিয়াকে বিদেশে যাওয়ার অনুমতি দেয়া প্রসঙ্গে আইনমন্ত্রীর সংসদে দেওয়া বক্তব্য সঠিক নয় বলে দাবি করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, আইনমন্ত্রী সংসদে বলেছেন-৪০১ ধারা অনুযায়ী সরকার যেকোনো দ-িত ব্যক্তিকে শর্তযুক্ত করে বা শর্ত ছাড়া মুক্তি দিতে পারে। সরকার খালেদা জিয়াকে শর্তযুক্ত করে মুক্তি দিয়েছে। এরপরই বলা আছে, সরকার চাইলে যেকোনো শর্ত যুক্ত করতে পারে। অর্থাৎ এটি সম্পুর্ণভাবে সরকারের এখতিয়ার।

তিনি বলেন, বিদেশে খালেদা জিয়ার চিকিৎসার জন্য নতুন করে আবেদন করা হয়েছে। অনুমতির বিষয়টি এখন সরকারের ওপর নির্ভর করছে।

সংবাদ সম্মেলনে দলের স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, গয়েশ্বর চন্দ্র রায়, ড. আবদুল মঈন খান, নজরুল ইসলাম খান, সেলিমা রহমান, ভাইস চেয়ারম্যান আবদুল্লাহ আল নোমান, শাহজাহান ওমর, শামসুজ্জামান দুদু, আবদুল আউয়াল মিন্টু, জয়নাল আবেদীন, আহমেদ আজম খান, নিতাই রায় চৌধুরী, চেয়ারপারসনের উপদেষ্টা কাউন্সিলের সদস্য মনিরুল হক চৌধুরী, আমান উল্লাহ আমান, হাবিবুর রহমান হাবিব, আবদুস সালাম, কেন্দ্রীয় নেতা খায়রুল কবির খোকন, কামরুজ্জামান রতন, মোস্তাফিজুর রহমান বাবুল, জহির উদ্দিন স্বপন, নাজিম উদ্দিন আলম, আমিনুল হক, জেড খান, রিয়াজ উদ্দিন নসু, শায়রুল কবির খান প্রমুখ নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

1