জনগণের সহানুভূতিই জীবন সংগ্রামে পর্যদুস্ত প্রতিবন্ধীদের বেচে থাকার সম্বল – হাসিনা রহমান সিমু

1

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টি ফোর ডটকমঃ  ৩ ডিসেম্বর, “বিশ্ব প্রতিবন্ধী দিবস” হাসিনা অটিজম চাইল্ড কেয়ারের উদ্যোগে আনন্দধামের সহযোগিতায় যথাযথ মর্যাদায় পালন করা হয়।

নারায়ণগঞ্জ এর বন্দরে অবস্থিত হাসিনা অটিজম চাইল্ড কেয়ার প্রাংগনে আয়োজিত দিনের কর্মসূচির মধ্যে ছিলো প্রতিবন্ধী শিশু-কিশোরদের নিয়ে চিত্রাঙ্কন প্রতিযোগিতা, র‍্যালী, কেক কাটা, বৃক্ষরোপণ ও সমাবেশ সহ প্রতিবন্ধী সেবা নিয়ে মতবিনিময় ।

হাসিনা অটিজম চাইল্ড কেয়ারের প্রতিষ্ঠাতা হাসিনা রহমান সিমুর সার্বিক তত্ত্বাবধানে এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পরিষদের চেয়ারম্যান আলহাজ্ব আবদুল মান্নান মিয়া।

সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন প্রখ্যাত চিত্রকর মোঃ শাহ আলম ও আনন্দধামের অতিরিক্ত চেয়ারম্যান আজিজুল ইসলাম বাবু। এ সময় অন্যান্যের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশিষ্ট শিক্ষানুরাগী ও সমাজ সেবক আনন্দধাম আইনজীবী ফোরামের সভাপতি এডভোকেট মোঃ শেখ জসীউদ্দিন, ভাইস প্রেসিডেন্ট মতিউর রহমান মুক্তি, আনন্দধাম সাহিত্য পরিষদের সভাপতি এনামুল হক প্রিন্স , হাসিনা অটিজম চাইল্ড কেয়ারের পরিচালক মাকসুদুর রহমান হিটু, খোকন গাজি, চাইল্ড কেয়ারের শিক্ষক ও শিক্ষয়িত্রী ও অভিভাবক বৃন্দ।

অনুষ্ঠানে আগত অতিথি ও অভিভাবকদের উদ্দেশ্যে হাসিনা রহমান সিমু বলেন, প্রতিবন্ধিতা বিষয়ে সচেতনতার প্রসার এবং প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মর্যাদা সমুন্নতকরণ, অধিকার সুরক্ষা এবং উন্নতি সাধন নিশ্চিত করার লক্ষ্যে প্রতিবছর আমরা এই দিবসটি পালন করি।

তিনি বলেন বেঁচে থাকার জন্যই রীতিমতো সংগ্রাম করতে হয় প্রতিবন্ধীদের। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, কর্মক্ষেত্র, গণপরিবহন, রাস্তাঘাট, কোথাও পুরোপুরি প্রতিবন্ধীবান্ধব পরিবেশ আমরা নিশ্চিত করতে পারেনি। কর্মসংস্থানের পথও বেশ কণ্টকাকীর্ণ। প্রতিবন্ধীদের নিয়ে সরকারের সাথে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। তবে জনগণের সার্বিক সম্পৃক্ততাই প্রতিবন্ধীদের অধিকার সুনিশ্চিত করতে পারে। জনগণের সহানুভূতিই জীবন সংগ্রামে পর্যদুস্ত প্রতিবন্ধীদের বেচে থাকার সম্বল

এসময় উপস্থিত অতিথি ও অভিভাবকদের সাথে প্রতিষ্ঠানটির শিক্ষক ও শিক্ষয়িত্রীরা বিভিন্ন বিষয়ে মত বিনিময় করেন। স্কুল প্রাংগনে পরিবেশ সুরক্ষায় প্রতিবন্ধী শিশু-কিশোররা বৃক্ষরোপণ করেন। প্রতিবন্ধী শিশু-কিশোরদের নিয়ে বর্নাঢ্য র‍্যালী বের করা হয়। কর্মসূচির শেষ পর্যায়ে কেক কেটে সবাই আপ্যায়নের ব্যবস্থা করা হয়।

এখানে উল্লেখ্য যে, প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের মর্যাদা সমুন্নতকরণ, অধিকার সুরক্ষা, প্রতিবন্ধিতা বিষয়ে সচেতনতার প্রসার ও উন্নতি সাধন নিশ্চিতের লক্ষ্যে ১৯৯২ সাল থেকে জাতিসংঘ ঘোষিত এ দিবসটি বিশ্বব্যাপী পালন করা হচ্ছে।

1