বন্দরে সত্তরোর্ধ্ব বৃদ্ধের সম্পত্তি দখলে নিতেগুন্ডা বাহিনী নিয়ে চান্দু মেম্বারের মহড়া

0

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টি ফোর ডটকমঃ   নারায়ণগঞ্জের বন্দরে ২০ লাখ টাকা চাঁদার দাবিতে সহিদুল্লাহ নামে সত্তরোর্ধ্ব বয়স নিরীহ এক বৃদ্ধের খরিদা সম্পত্তি দখলে মরিয়া হয়ে উঠেছে বন্দর ইউনিয়ন পরিষদের ২নং ওয়ার্ডের সদস্য চান শরীফ ওরফে চান্দু মেম্বার গং। দাবিকৃত চাঁদা না পেয়ে চান্দু মেম্বার এবং তার গুন্ডা জামান,আজিম,রমজান,রাসেল,মুন্না,মিলন,সালাম,সাদ্দাম,নূর মোহাম্মদ ও মনির ২৫ অক্টোবর সকাল ১১টায় বৃদ্ধ সহিদউল্লাহ মিয়ার খরিদা সম্পত্তির সাইনবোর্ড ভাংচুর করে তাকে হত্যার হুমকি দেয়। চান্দু মেম্বার বাহিনীর হুমকিতে বর্তমানের চরম নিরাপত্তাহীণ শংকার মধ্যে দিন কাটাচ্ছো নিরীহ বৃদ্ধ ও তার পরিবারের সদস্যরা। ভুক্তভোগী বৃদ্ধ সহিদউল্লাহ মিয়া জানান,তিনি বন্দর রেজিষ্ট্রি অফিসের অধীনস্থ হারদী মৌজাস্থিত এস এ ৭২ নং খতিয়ানের আর এস ৪৭ নং দাগের ৩৩শতাংশ ভূমি হতে ১৫ শতাংশ ভূমি বিগত ১৯৭৫ সালের ৮ নভেম্বর মুখফুলদী গ্রামের মৃত আবদুল রশীদের সম্পত্তি তারই ওয়ারিশ পুত্র ছৈয়দুর রহমান,নাবালক পুত্র খোরশেদ আলম ও স্ত্রী সখিনা খাতুনের কাছ থেকে ৮৭৫৩ সাব কবলা দলিলমূলে ক্রয় করেন। খোরশেদ আলম নাবালক হওয়ায় পরবর্তীতে খোরশেদ আলমের ওয়ারিশের সম্পত্তি ১৯৯৭সালের ১৯ আগষ্ট ২৫৪৬ সাব কবলা দলিলমূলে আলাদাভাবে পূণরায় ক্রয় করেন। কিন্তু স্থানীয় ভূমিদস্য সফিকুল ইসলাম এলাকার কতিপয় উচ্ছশৃঙ্খল প্রকৃতির লোকজন নিয়ে বৃদ্ধ সহিদউল্লাহ মিয়ার সম্পত্তি জোরপূর্বক দখলে নেয়ার পাঁয়তারা চালায়। এমনকি ভূমি বিক্রেতা খোরশেদ আলম নাবালক অবস্থায় তার মা-ভাই বিক্রি করেছে বলে এই ইস্যূকে পূঁজি করে এ সংক্রান্তো তারা বন্দর উপজেলা ভূমি অফিসে একটি মামলা দায়ের করেন। ওই মামলা পর্যালোচনা করে বন্দরের তৎকালীন উপজেলা সহকারি কমিশনার(ভূমি) নাহিদা বারিক নিরীহ সহিদউল্লাহ মিয়ার পক্ষে রায় দেন। ওই রায় পাওয়ার পর পরই সফিকুল ব্যর্থ হয়ে ওই সম্পত্তির ভূয়া পাওয়ার অফ এ্যাটর্নি দেন পুরান বন্দর এলাকার বাসিন্দা বন্দর ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য চান শরীফ ওরফে চান্দু মেম্বারকে। পাওয়ার নিয়েই চান্দু মেম্বার নিরীহ সহিদউল্লাহ মিয়ার সম্পত্তি গ্রাস করতে মরিয়া হয়ে ওঠে। প্রকাশ্যে সে বলে বেড়ায় ২০লাখ টাকা চাঁদা না দিলে সে বৃদ্ধ সহিদউল্লাহ মিয়ার সম্পত্তি দখলে নিয়ে নিবে। এ লক্ষ্যে ২৫ অক্টোবর মঙ্গলবার সকাল ১১টায় চান্দু মেম্বার তার সহযোগী জামান,আজিম,রমজান,রাসেল,মুন্না,মিলন,সালাম,সাদ্দাম,নূর মোহাম্মদ ও মনিরকে নিয়ে সহিদউল্লাহ মিয়ার জমির সাইনবোর্ড ভাংচুর করে। এতে বাধা দিতে গেলে তাদেরকে বেদম মারধর করে এবং হত্যারও হুমকি দেয়। এ ঘটনায় জীবনের নিরাপত্তার স্বার্থে বৃদ্ধ সহিদউল্লাহ মিয়া বাদী হয়ে মঙ্গলবার সন্ধায় বন্দর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরী করেন। বৃদ্ধ সহিদউল্লাহ মিয়া বিষয়টি প্রশাসনের উর্দ্ধতন মহলের হস্তক্ষেপসহ নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সংসদ সদস্য বীরমুক্তিযোদ্ধা সেলিম ওসমানের সুদৃষ্টি কামনা করেছেন।

0