চর সৈয়দপুরে নিজেরা বাঁচতে প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে ভাঙচুরের মামলা, সঠিক তদন্তের দাবি 

0
ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকমঃ নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার চর সৈয়দপুর এলাকায় দৌলত মেম্বার হত্যাকান্ড নিয়ে কিছুদিন এলাকা শান্ত থাকার পর আবারো অশান্ত হয়ে উঠেছে। প্রতিপক্ষদের ঘায়েল করতে দৌলত মেম্বারের মাথাচাড়া দিয়ে উঠছে। প্রতিপক্ষদের ঘায়েল করতে নানা কুট-কৌশল চালিয়ে যাচ্ছে।

ডাচ বাংলা এজেন্ট ব্যাংকে সিসি ক্যামেরা ভাঙচুরের ঘটনা ভিন্ন খাতে প্রভাহিত করতে দৌলত মেম্বারের লোকজন ভাঙচুরের নাটক তৈরি প্রতিপক্ষদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছে। নিজেরা অপরাধ করে প্রতিপক্ষ গ্রুপ অন্যদের ফাঁসিয়ে দিয়ে মামলা দায়ের করে বলে অভিযোগ উঠেছে। এতে করে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রীয়া সৃষ্টি হয়েছে।
এদিকে ডাচ বাংলা এজেন্ট ব্যাংকের সিসি ক্যামেরা ভাঙচুরের নিজেরা মামলা থেকে বাঁচতে ডাচ বাংলা  এজেন্ট ব্যাংকের পরিচালক সারোয়ার হোসেনসহ তাদের লোকদের সাথে সমঝোতা করে ভাঙচুরের নাটক সাজিয়ে দৌতল মেম্বার হত্যাকান্ডের ইস্যু নিয়ে প্রতিপক্ষদের মামলা দায়ের করে। এতে করে মোশারফ সহ দুইজনকে পুলিশ গ্রেপ্তার করে। এ নিয়ে এলাকা উত্যপ্ত হয়ে উঠে৷
জানা যায়, গত ১৬ জানুয়ারী রাতে ডাচ বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিং এর অফিসে সিসি ক্যামেরা লাগানোর ফলে স্থানীয় সন্ত্রাসীদের অপরাধ কর্মকান্ড ব্যাঘাত ঘটায় রাতের আধারে সিসি ক্যামেরা ভাঙচুর করে নিয়ে যায় সন্ত্রাসীরা৷ অন্য একটি সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখে অপরাধীদের সনাক্ত করে ডাচ বাংলা  এজেন্ট ব্যাংকের পরিচালক সারোয়ার হোসেন বাদী হয়ে সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে থানায় অভিযোগ দায়ের করে। এ ঘটনায় স্থানীয় ভাবে সারোয়ার হোসেন সহ তার আত্মীয়স্বজনদের সাথে
অপরাধীদের মধ্যে সমঝোতা হয়। কিন্তু এই ঘটনা পুজি করে ভাঙচুরের নাটক সাজিয়ে অন্য লোকদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করা হয়। মামলায় আসামি করা হয় সৈয়দপুর এলাকার বিল্লাল হোসেন, মোশারফ হোসেন, কাশেম, সেলিম, শ্যামল, দৌলতকে। প্রকৃত ভাবে ঐ ঘটনার সাথে তাদের কোন সম্পৃক্ততা নেই। দৌলত মেম্বার হত্যাকান্ড ইস্যু নিয়ে রুস্তম আলীর ছেলে সাইফুল মামলা দায়ের করে। সাইফুল আসলে কে এটা এলাকাবাসী জানতে চায়। মিথ্যা ঘটনা তৈরি করে নিরীহ লোকদের কেন মামলা দায়ের করে হয়রানি করছে এমন প্রশ্ন এলাকাবাসীর৷ পুলিশও সঠিক তদন্ত না করে কেন মামলা নেয় তাও বোধগম্য নয়।
খোজ নিয়ে জানা গেছে, দৌলত মেম্বার হত্যাকান্ড নিয়ে চর সৈয়দপুর এলাকায় বেশ কিছুদিন এলাকা থমথম অবস্থা বিরাজ করে। হত্যা মামলার আসামিরা পলাতক রয়েছে অনেকে জেল হাজতে রয়েছে আবার কেউ জামিনে এসেছে। কিছুদিন ধরে এলাকার পরিস্থিতি শান্ত থাকলেও ভাঙচুরের নাটক সাজিয়ে মিথ্যা মামলা দিয়ে আবারো অশান্ত করে তুলেছে।
নারায়ণগঞ্জ সদর মডেল থানার ইন্সপেক্টর (তদন্ত) সাইদুজ্জামান জানান, সাইফুল ইসলামের দায়ের করা মামলায় মোশারফ সহ দুইজনকে আটক করা হয়েছে। তবে ঘটনা যদি নাটক কিংবা মিথ্যা হয় তাহলে মামলার তদন্তকারী অফিসার তদন্ত করে পরবর্তী পদক্ষেপ গ্রহণ করবে। কোন ঘটনায় মামলা হওয়ার পরও তদন্তে মিথ্যা প্রমানিত হলে মামলা নিষ্পত্তি করার ক্ষমতা রাখে।
0