বঙ্গবন্ধু বাংলাদেশ গেমসের পর্দা নামছে আজ

1

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টি ফোর ডটকম: আসরটি হওয়ার কথা ছিল গত বছরই। কিন্তু করোনাভাইরাসের প্রকোপে তা স্থগিত করা হয়। নতুন সূচিতে গত ১লা এপ্রিল যখন বঙ্গবন্ধু নবম বাংলাদেশ গেমসের উদ্বোধন হয়, তখন করোনার দ্বিতীয় ঢেউয়ে দেশ টালমাটাল। অংশগ্রহণকারী সকল খেলোয়াড়ের স্বাস্থ্য সুরক্ষা নিশ্চিত করেই গেমসের ভার্চ্যুালি উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। সেখানে তিনি বার বার সর্বোচ্চ সতর্কতা অবলম্বন ও প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ গ্রহণ করে গেমস আয়োজনের তাগিদ দেন আয়োজকদের। আয়োজকরাও চেষ্টা করেছেন সর্বোচ্চ সর্তকর্তা অবলম্বন করেই গেমস আয়োজনের। বাংলাদেশ আনসারের শ্রেষ্ঠত্বের মধ্য দিয়ে পর্দা নামছে আজ এই আসরের। ৩১ ডিসিপ্লিনে ৩৭৮ স্বর্ণের মধ্যে গতকাল সন্ধ্যা পর্যন্ত নিষ্পত্তি হওয়া ৩৪১ সোনার মধ্যে বাংলাদেশ আনসার জিতেছে ১১২টি স্বর্ণসহ ২৫২টি পদক।
১০১টি স্বর্ণসহ ২৬৯টি পদক জিতে দুই নম্বরে আছে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী। ৬৩টি স্বর্ণ নিয়ে বাংলাদেশ নৌবাহিনীর অবস্থান তিনে। ২০১৩ সালে অনুষ্ঠিত বাংলাদেশ গেমসের সব শেষ আসরেও সেরা হয়েছিল বাংলাদেশ আনসার।
চলমান করোনা মহামারির জন্য সমাপনী অনুষ্ঠান সংক্ষিপ্ত করেছে আয়োজক বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশন (বিওএ)। বিকাল সাড়ে পাঁচটায় বঙ্গবন্ধু জাতীয় স্টেডিয়ামের গেট উন্মুক্ত করা হবে। সন্ধ্যা সাড়ে ছ’টায় পবিত্র কোরআন তিলাওয়াতের মধ্য দিয়ে শুরু হবে অনুষ্ঠান। এরপর জাতীয় সংগীত বেজে উঠবে। জাতীয় সংগীতের পরপরই কয়েকটি সংক্ষিপ্ত বক্তব্য। বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের মহাসচিব, সভাপতি, যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী এবং অর্থমন্ত্রী বক্তব্য রাখবেন। অর্থমন্ত্রী ও গেমস সাংগঠনিক কমিটির চেয়ারম্যান আ হ ম মুস্তফা কামাল সমাপনী অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি। ভার্চ্যুয়ালি তিনি অনুষ্ঠানের সমাপনীতে যুক্ত থাকবেন বলে জানা গেছে। প্রথম পর্বের এই অনুষ্ঠানের দৈর্ঘ্য ত্রিশ মিনিট। দ্বিতীয় পর্বের দৈর্ঘ্যও ত্রিশ মিনিট। সন্ধ্যা সাতটায় পনের মিনিটের একটি ভিজ্যুয়াল প্রেজেন্টেশনের মাধ্যমে দশ দিনের গেমসের চিত্র তুলে ধরা হবে। সোয়া সাতটায় কয়েক মিনিটের সংক্ষিপ্ত লেজার শো হবে। লেজার শো শেষে গেমসের মশাল নেভানোর মাধ্যমে আনুষ্ঠানিক সমাপ্তি ঘটবে। সমাপনী বাংলাদেশ অলিম্পিক এসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি ও গেমস স্টিয়ারিং কমিটির চেয়ারম্যান শেখ বশির আহমেদ (মামুন) বলেন, ‘আমরা গেমসের সুন্দর সমাপ্তির অপেক্ষায়। উদ্বোধনটা জাঁকজমকপূর্ণ হলেও চলমান করোনা প্রেক্ষাপটে আমরা সমাপনী অনুষ্ঠান খুবই স্বল্প আকারে করছি। সাংস্কৃতিক পর্ব সেভাবে থাকছে না।’
এবার ৭ জেলার ২৯টি ভেন্যুতে ৩১ ডিসিপ্লিনে ৫ হাজার ৩০০ ক্রীড়াবিদ লড়াই করেন ১ হাজার ২৭১টি পদকের জন্য।

1