রিকশা, ব্যাটারি রিকশা, ইজিবাইক চালক সংগ্রাম পরিষদের নারায়ণগঞ্জে মানববন্ধন মিছিল

1

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টি ফোর ডটকম: সিলেটে রিকশা, ব্যাটারি রিকশা, ইজিবাইক চালক সংগ্রাম পরিষদের নেতা আবু জাফর, প্রণব জ্যোতি পাল, সুমনসহ ৩০০ রিকশা চালকের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার, বিকল্প ব্যবস্থা ছাড়া রিকশা, ব্যাটারি রিকশা, ইজিবাইক উচ্ছেদ-নির্যাতন-হয়রানি বন্ধ, বাজেটে শ্রমিকদের রেশন, আবাসন, চিকিতসার জন্য বরাদ্দের দাবিতে রিকশা, ব্যাটারি রিকশা, ইজিবাইক চালক সংগ্রাম পরিষদ নারায়ণগঞ্জ জেলার উদ্যোগে আজ বেলা ১১ টায় নারায়ণগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সামনে মানববন্ধন ও শহরে বিক্ষোভ মিছিল অনুষ্ঠিত হয়। রিকশা, ব্যাটারি রিকশা, ইজিবাইক চালক সংগ্রাম পরিষদ নারায়ণগঞ্জ জেলার আহ্বায়ক মেহেদী হাসানের সভাপতিত্বে মানববন্ধনে বক্তব্য রাখেন সমাজতান্ত্রিক শ্রমিক ফ্রন্ট কেন্দ্রীয় কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক ইমাম হোসেন খোকন, নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি আবু নাঈম খান বিপ্লব, গার্মেন্টস শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার সভাপতি সেলিম মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক সাইফুল ইসলাম শরীফ, রি-রোলিং স্টিল মিলস শ্রমিক ফ্রন্ট নারায়ণগঞ্জ জেলার সাধারণ সম্পাদক এস এম কাদির, সংগ্রাম পরিষদের জেলার যুগ্ম আহ্বায়ক খোরশেদ আলম, তাজুল ইসলাম, শফিকুর রহমান।
নেতৃবৃন্দ বলেন, ২ জুন সিলেট নগরীতে ব্যাটারি রিকশা চালানোর কারণে ৫০ টি রিকশা সিটি কর্পোরেশন আটক করে। করোনাকালে বিপর্যস্ত রিকশা চালকদের আটককৃত রিকশা ছেড়ে দেয়ার জন্য রিকশা, ব্যাটারি রিকশা, ইজিবাইক চালক সংগ্রাম পরিষদ সিলেট জেলা শাখা কর্পোরেশনের সামনে প্রতিবাদ সমাবেশ করে। শান্তিপূর্ণ সমাবেশে সিটি কর্পোরেশনের কর্মচারীরা লাঠিসোটা নিয়ে হেলমেট পড়ে হামলা চালায়। এতে ৫০ জন শ্রমিক আহত হয়। পরে সিটি কর্পোরেশন সংগ্রাম পরিষদ নেতা বাসদ সিলেট জেলা সমন্বয়ক আবু জাফর, প্রণব জ্যোতি পাল, সুমনসহ ৩০০ জনের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা দিয়েছে।
নেতৃবৃন্দ বলেন, করোনাকালে আড়াই কোটি মানুষ নতুন করে দরিদ্র হয়েছে। ২ কোটি মানুষ বেকার হয়েছে। মানুষের ক্রয়ক্ষমতা অনেক কমে গেছে। এ অবস্থায় ঋণ নিয়ে ব্যাটারি রিকশা করে তা চালিয়ে সামান্য আয়ে জীবন চালানোর চেষ্টা করছে রিকশা চালকরা। এ অবস্থায় সিলেট সিটি কর্পোরেশনের রিকশা চালকদের উপর নির্যাতন কোনভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। করোনার এই সংকটের সময়ে প্রস্তাবিত বাজেটে ৫০ লক্ষ রিক্সাচালকসহ অপ্রাতিষ্ঠানিক শ্রমিকদের জন্য কোন নির্দেশনা নেই। বাজেটে ভ্যাটের আওতা বাড়িয়ে রাজস্ব আয় বাড়ানোর কথা বলা হয়েছে। দেশের শ্রমজীবীরা বড় অংশের ভ্যাট প্রদান করছে। অথচ তারা সব ক্ষেত্রেই উপেক্ষিত। নারায়ণগঞ্জে ব্যাটারি রিকশা শহরে প্রবেশ করলে রেকার না লাগিয়েও রেকার বিলের নামে ১ হাজার থেকে দেড় হাজার টাকা আদায় করে ট্রাফিক পুলিশ। একদিকে করোনার অর্থনৈতিক আক্রমণ অন্যদিকে প্রশাসনের জুলুম, ফলে রিকশাচালকদের অনাহারে মরার দশা।
নেতৃবৃন্দ বলেন, ব্যাটারি রিকশার তৈরির সমস্ত উপকরণ আমদানি, রিকশা তৈরি, রিকশা বিক্রিতে প্রশাসনের কোন বাধা নেই। শুধুমাত্র চালানো হলেই নেমে আসে নির্যাতন জুলুম। সরকারের দুর্নীতি, লুটপাট বন্ধে কোন কার্যকর পদক্ষেপ নেই। অথচ গরিব অসহায় বলেই রিকশাচালকদের উপর এ অত্যাচার হচ্ছে। নেতৃবৃন্দ অবিলম্বে সিলেটে নেতৃবৃন্দসহ রিকশাচালকদের মামলা প্রত্যাহার, করোনাকালে সিটি কর্পোরেশনসহ সর্বত্র বাধাহীনভাবে ব্যাটারি রিকশা, ইজিবাইক চালানোর অনুমোদন, অবিলম্বে ব্যাটারি রিকশা, ইজিবাইকের লাইসেন্স প্রদান এবং বাজেটে শ্রমিকের রেশন, আবাসন, চিকিতসার জন্য বিশেষ বরাদ্দের দাবি করেন।

প্রেস বিজ্ঞপ্তি

1