কোভিড আর লকডাউনে স্বপ্ন চূর্ণবিচূর্ণ, ইঞ্জিনিয়ারিং ছাত্রী এখন ফুচকাওয়ালা

1

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টি ফোর ডটকম: ইঞ্জিনিয়ারিং এর ডিগ্রি বি টেক নিয়ে কোনো নামী সংস্থায় কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ারের পদে চাকরি করার স্বপ্ন দেখেছিল একুশ বছরের মেয়ে জ্যোতি সাহা। টানা কোভিড আর লকডাউনের জেরে জ্যোতির সেই স্বপ্ন ভেঙে খানখান হয়ে গেছে। লকডাউনে অর্ধেক মাইনে হয়ে যাওয়ায় দাদা দেবজ্যোতিকে সঙ্গে নিয়ে এখন ফুচকা বিক্রি করে জ্যোতি সাহা। বাবা শ্রীদাম সাহার একটা পরিত্যক্ত মুদির দোকানে উত্তরচব্বিশ পরগনার টিটাগড় এর বিবেক নগরে এখন জমে উঠেছে ফুচকার দোকান। লকডাউনে দাদা দেবজ্যোতির চাকরিতে প্রথমে মাইনে অর্ধেক হয়, বাবা শ্রীদামের মুদির দোকান বন্ধ হয়, বন্ধ হয়ে যায় জ্যোতির কলেজের পড়াশোনা। বাধ্য হয়ে ফুচকার দোকান দেয় জ্যোতি দাদাকে সঙ্গে নিয়ে। তার তৈরি চিকেন ফুচকা আর বাংলাদেশি ফুচকার এখন খুব কদর। বাংলাদেশি ঝাল ফুচকা খেতে রোজ সন্ধ্যায় ভিড় ভেঙে পড়ে জ্যোতির দোকানে।
ইঞ্জিনিয়ারিং এর ছাত্রীর এই ফুচকার দোকান তরুণ তরুণীদের খুব পছন্দের। কোভিড কেড়ে নিয়েছে অনেক কিছু কিন্তু দিয়েছে অনেক নতুন বন্ধু। তাদের শালপাতায় তেঁতুল জল ঢালতে ঢালতে জ্যোতি ভাবে, জীবন কতনা শিক্ষা দেয়!

1