বরিশাল বিভাগ ও খুলনায় একদিনে আরও ৩৯ জনের মৃত্যু

1

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টি ফোর ডটকম: বরিশাল বিভাগ ও খুলনা শহরের চারটি হাসপাতালে করোনা আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৩৯ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে বরিশাল বিভাগে ২২ জন ও খুলনায় ১৭ জন মারা যান।
বিভাগীয় স্বাস্থ্য অধিদফতরের পরিচালক ডা. বাসুদেব কুমার দাস জানান, বরিশাল বিভাগে ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে ২২ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে করোনা উপসর্গ নিয়ে ১৯ জন এবং করোনায় তিনজন মারা গেছেন। এ সময়ে ৫৭৫ জনের করোনা শনাক্ত হয়েছে। আরটিপিসিআর ল্যাবে শনাক্তের হার ৬৪ দশমিক ৩৬ শতাংশ।
শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল পরিচালকের তথ্য সংরক্ষক জাকারিয়া খান স্বপন জানান, বিগত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের আইসোলেশনে ৩৫ জন ভর্তি হন। এর মধ্যে উপসর্গ নিয়ে ১৯ জনের মৃত্যু হয়েছে।

হাসপাতালে ৩০৭ জন চিকিৎসাধীন রোগী আছেন।  এছাড়া বরগুনায় ২ জন ও ঝালকাঠিতে একজন মারা যান।

এদিকে খুলনার চারটি হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা আক্রান্ত হয়ে ও উপসর্গ নিয়ে ১৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এরমধ্যে খুলনা করোনা ডেডিকেটেড হাসপাতালে ১০ জন, শহীদ শেখ আবু নাসের হাসপাতালের করোনা ইউনিটে একজন, গাজী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে তিনজন এবং জেনারেল হাসপাতালের করোনা ইউনিটে তিনজন মারা যান।
খুলনা ডেডিকেটেড করোনা হাসপাতালের ফোকালপারসন ডা. সুহাস রঞ্জন হালদার জানান, হাসপাতালে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনায় পাঁচজন ও উপসর্গে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে।
খুলনা জেনারেল হাসপাতালের ৮০ শয্যার করোনা ইউনিটের মুখপাত্র ডা. কাজী আবু রাশেদ জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালে তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন- খুলনা মহানগরীর মুন্সিপাড়ার শামসুন্নাহার (৪৫), দৌলতপুরের রেলীগেট এলাকার মো. আলী আকবর (৬১) ও রূপসা আনন্দনগরের আজিজুর রহমান (৭৫)। এছাড়া চিকিৎসাধীন রয়েছেন ৭৬ জন।
খুলনার শহীদ আবু নাসের বিশেষায়িত হাসপাতালের করোনা ইউনিটে গত ২৪ ঘণ্টায় একজনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছেন ডা. প্রকাশ দেবনাথ। মৃত ব্যক্তি হলেন নগরীর আড়ংঘাটার আফসার আলী (৭০)।
গাজী মেডিকেল হাসপাতালের স্বত্বাধিকারী ডা. গাজী মিজানুর রহমান জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় হাসপাতালের করোনা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। মৃতরা হলেন- খুলনা নগরীর টুটপাড়ার সালেহা বেগম (৮৬), স্যার ইকবাল রোডের মুসতারী (৮২) এবং বাগেরহাটের কচুয়ার শেখ জাফর আহম্মেদ (৮৯)। বেসরকারি এ হাসপাতালের চিকিৎসাধীন রয়েছেন আরও ১২৯ জন। গত ২৪ ঘণ্টায় ভর্তি হয়েছেন ২৯ জন এবং সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন ৩১ জন।

1