ভোট চোর সরকার জিয়াউর রহমানকে নিয়েমিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে: এ্যাড জাকির

1

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টিফোর ডটকম:  বিএনপির ৪৩ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী উপলক্ষে মহানগর বিএনপির উদ্যোগে আলোচনা সভা, মিলাদ ও দোয়ার আয়োজন করা হয়।

বুধবার (১ লা সেপ্টেম্বর) বিকেল ৪ টায় নগরীর কালিবাজারস্থ মহানগর বিএনপির অস্থায়ী কার্যালয়ে এ অনুষ্ঠানের অনুষ্ঠিত হয়।

মহানগর বিএনপির সহ-সভাপতি এ্যাড. জাকিরের সভাপতিত্বে ও সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. আবু আল ইউসুফ খান টিপুর সঞ্চালনায় এ আলোচনা সভায় বক্তব্য রাখেন, মহানগর বিএনপির ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সবুর খান সেন্টু, সহ-সভাপতি ফখরুল ইসলাম মজনু, এ্যাড. রফিক আহম্মেদ, মনিরুজ্জামান মনির, এ্যাড. রিয়াজুল ইসলাম আজাদ, যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন,

স্বাস্থ্য বিষয়ক সম্পাদক ডা. মুজিবুর রহমান, সহ-প্রচার সম্পাদক মাকিদ মোস্তাকিম শিপলু, মহানগর বিএনপি নেতা কাউন্সিলর সুলতান আহমেদ, আব্দুল মতিন খান ভাষানী, মহানগর শ্রমিক দলের সিনিয়র যুগ্ম-আহবায়ক মনির মল্লিক, মহানগর যুবদলের সাবেক সহ-সভাপতি নাজমুল হক রানা, সাবেক ছাত্র দলের সভাপতি মাজহারুল ইসলাম জোসেফ।

ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক আব্দুস সবুর খান সেন্টু বলেন, শহীদ জিয়াউর রহমান ছিলেন বহু দলীয় গণতন্ত্রের প্রবক্তা। তিনি ঘোষণা না দিলে কখনই এদেশ স্বাধীন হতো না। ৭১ সালে স্বাধীনতার ঘোষণা দিয়ে তিনি রনাঙ্গনে যুদ্ধ করেছেন। অথচ বর্তমান সরকার তাকে নিয়ে মিথ্যা ও বিভ্রান্তি মূলক বক্তব্য দিচ্ছেন। রাতের আধারের ভোট চোর সরকার মিথ্যার উপর ক্ষমতায় টিকে আছে। ইতিহাস সাক্ষী এদেশের মানুষের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করে কেউ টিকে থাকতে পারেনি। আপনারাও পারবেন না।

সাংগঠনিক সম্পাদক এ্যাড. আবু আল ইউসুফ খান টিপু বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের কারনেই আজ আওয়ামী লীগ রাজনীতি করার সুযোগ পাচ্ছে। শহীদ জিয়া রনাঙ্গনে যুদ্ধ করেছেন আপনাদের মত ভারতে পালিয়ে জাননি। তবে এদেশের জনগন আবারো প্রমান করেছে জিয়াউর রহমান মানুষের হৃদয়ে বেচেঁ আছে। তিনি ছিলেন এদেশের খেটে খাওয়া মেহনতি মানুষের নেতা। তাকে নিয়ে মিথ্যা ও বিভ্রান্তি মূলক কথা বললে দেশের জনগণ কখনই আপনাদের ছাড় দিবে না।

সভাপতির বক্তব্যে এ্যাড. জাকির বলেন, যখনই রাতের আধারে ভোট চোরি করে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসে। তখনই এদেশে লুট, ধর্ষণ, দুর্নীতি, চাঁদাবাজী, টেন্ডারবাজী, ভূমিদস্যুতা বেড়ে যায়্ দেশের মানুষের বাক-স্বাধীনতা, মৌলিক অধিকার ছিনিয়ে নেয়া হয়। যেটা ঘটে ছিলো ১৯৭২ থেকে ৭৫ পযর্ন্ত। আওয়ামী লীগ কখনই জনগনের উপর আস্থা রাখতে পারে না তাই প্রশাসনের কাধে বন্দুক রেখে ক্ষমতা ধরে রেখেছে। তারা দেশের প্রতিটা ক্ষেত্রেই দলীয় করন করে রেখেছে। ভোট চোর সরকার শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানকে নিয়ে মিথ্যা অপপ্রচার চালাচ্ছে। তিনি নাকি স্বাধীনতা যুদ্ধে একটি গুলিও চালাননি। তাহলে কেন তাকে বীর উত্তম খেতাব দেওয়া হয়েছে। এই অপরাধে আমরা শেখ মুজিবের বিচার দাবি করছি।

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন, মহানগর বিএনপির দপ্তর সম্পাদক ইসমাইল মাষ্টার, আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. আনিছুর রহমান মোল্লা, গণশিক্ষা বিষয়ক সম্পাদক বরকত উল্লাহ বুলু, পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক আমিনুল ইসলাম মিঠু, সহ-আইন বিষয়ক সম্পাদক এ্যাড. শরীফুল ইসলাম শিপলু, এ্যাড. মোস্তাক আহমেদ, সহ-যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক সাইফুল ইসলাম বাবু, মহানগর বিএনপি নেতা আল-মামুন, হারুন শেখ, আল আরিফ,

১৫নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি মাসুদ চৌধুরী, সহ-সভাপতি ফেরদৌসুর রহমান, সাধারণ সম্পাদক শওকত আলী লিটন, সাংগঠনিক সম্পাদক হাফেজ সিব্বির আহমেদ, সদর থানা গামের্ন্টস শ্রমিক দলের সভাপতি সেলিম আহমেদ, মহানগর স্বেচ্ছাসেবক দলের প্রচার সম্পাদক দুলাল হোসেন, সদর থানা স্বেচ্ছাসেবক দলের যুগ্ম-আহবায়ক আব্দুর রশিদ হাওলাদার, মহানগর যুবদল নেতা ফয়েজ উল্লাহ সজল, মহসিন উল্লাহ, আলী ইমরান শাহীন সহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

1