বিদ্যুৎ চুরির মামলায় রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায় – এড. মহসীন

1

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টি ফোর ডটকমঃ আসন্ন নারায়ণগঞ্জ জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে শেষ দিনে নির্বাচনী প্রচারনা করেছে সম্মিলিত আইনজীবী সমন্বয় পরিষদ মনোনীত জুয়েল-রনি পরিষদের প্রার্থীগণ।

বৃহস্পতিবার (১৩ জানুয়ারী) দুপুরে মিছিল আর স্লোগানে প্রকম্পিত করে তোলে আদালত প্রাঙ্গন।

মিছিল শেষে বার ভবনের সামনে বক্তাগণ বলেন, নারায়ণগঞ্জ আওয়ামী লীগে কোন দ্বিধা নেই। তেমনি কোর্টের উন্নয়নের ব্যাপারেও আমাদের কোন আপোষ নেই। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যেমন দেশকে একটি উন্নয়নের রোল মডেল হিসেবে বিশ্ব দরবারে সুপ্রতিষ্ঠিত করেছেন তেমনি জুয়েল-মোহসীনরাও তাদের নিরলস প্রচেষ্টার মাধ্যমে নারায়ণগঞ্জ বার ভবনকে একটি ডিজিটাল বার ভবনে রুপান্তরিত করেছে। এই বার ভবনকে তারা তাদের সন্তানের মতই ভালোবাসে। অথচ আজকে আমাদের প্রতিপক্ষ বন্ধুরা আমাদের সফলতায় ঈর্ষান্বিত হয়ে বিভিন্ন মিথ্যাচার করছে। তার বলছে আমরা নাকি মুলা ঝুলিয়েছি, আমরা নাকি ভোট চোর। যদি ভোট চুরি করতাম আর মুলা ঝুলাতাম তাহলে কি এই ডিজিটাল বার ভবন নির্মিত হতো।

এসময় বারের সাবেক সভাপতি এড. মহসীন মিয়া বলেন, আপনারা জানেন বিগত দিনে এই প্যানেলকে নির্বাচিত করায় উন্নয়নের জোয়ার বইছে। নারায়ণগঞ্জের সিনিয়র আইনজীবীগণ একটি উন্নয়নের প্যানেল দিয়েছে। আজকে এই প্যানেলের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে। মির্জাফর, ঘসেটি বেগম, খন্দকার মোশকাতরা আজকের উন্নয়নকে ব্যাহত করার চেষ্টা করছে এবং তারা বিভিন্নভাবে ষড়যন্ত্র করার চেষ্টা করছে। এই প্যানেলের মাধ্যমেই আপনাদের ভাগ্যের উন্নয়ণ ঘটবে। আমরা জানতে পেরেছি আমাদের প্রতিপক্ষ প্যানেলের একজন প্রার্থী, যে কিনা সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচন করছে। তাকে গতরাতে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এজন্য আদালত প্রাঙ্গনে গুজব ছড়ানো হচ্ছে সে নাকি রানৈতিক প্রতিহিংসার শিকার। অথচ আমরা খবর নিয়ে জানতে পেরেছি বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে না পারায় তাকে গ্রেফতার করা হয়েছে। যত কিছুই হোক সে আমাদের ভাই। তাই আমরা বিচারকের সাথে কথা বলেছি। যেহেতু তিনি একজন প্রার্থী, তার বিষয়টি যেন বিবেচনা করা হয়। এখন আপনারাই বলুন, যে ব্যক্তি নিজের বাড়ির বিদ্যুৎ বিল দিতে পারেনা সে কিভাবে নারায়ণগঞ্জের ঐতিহ্যবাহী বারের সভাপতি হবে। আপনারা কি তাকে সাধারণ সম্পাদক পদে নির্বাচিত করবেন ? যে কিনা বিদ্যুৎ চুরির মামলায় রাজনৈতিক ফায়দা লুটতে চায়।

এবারের জেলা আইনজীবী সমিতির নির্বাচনে প্রধান নির্বাচন কমিশনারের দ্বায়িত্ব পালন করছেন, এড. সামসুল ইসলাম ভূইয়া, সহকারী নির্বাচন কমিশনার হলেন, এড. আব্দুর রহিম, জিপি এড. মেরিনা বেগম, এড. আশরাফ হোসেন, এড. শুকচাঁদ সরকার।

এ সময় উপস্থিত ছিলেন, নির্বাচন পরিচালনা কমিটির সদস্য এড. আব্দুর রশিদ ভূইয়া, সিনিয়র আইনজীবী মাসুদুর রউফ, পিপি এড. মনিুরজ্জামান বুলবুল, সাবেক সাধারণ সম্পাদক এড. খোকন সাহা, এড. মাহবুবুর রহমান, এড. সেলিনা বেগম, এপিপি এড. জিয়াসমিন প্রমুখ।

এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন, জুয়েল-রনি প্যানেলের সভাপতি পদ প্রার্থী এড. হাসান ফেরদৌস জুয়েল, সিনিয়র সহ-সভাপতি পদ প্রার্থী এড. আলাউদ্দিন আহমেদ, সহ-সভাপতি এড. সুবাস বিশ্বাস, সাধারণ সম্পাদক এড. রবিউল আমীন রনি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এড. মাহমুদুল হক মমিন, কোষাধ্যক্ষ এড. আবুল বাশার রুবেল, আপ্যায়ণ সম্পাদক এড. মোঃ স্বপন ভূঁইয়া, লাইব্রেরী সম্পাদক এড. হাছিব উল হাছান রনি, ক্রীড়া সম্পাদক এড. সোহেল আজাদ, সাহিত্য ও সাংস্কৃতিক সম্পাদক এড. রাজিয়া আমিন কাঞ্চি, সমাজ সেবা সম্পাদক এড. মোঃ রাশেদ ভূঁইয়া, আইন ও মানবাধিকার সম্পাদক এড. আব্দুল মান্নান, কার্যকরী সদস্য- এড. এরশাদুজ্জামান ইমন, এড. হালিমা আক্তার, এড. হোসেন আহম্মদ, এড. মেরাজ সরকার, এড. অঞ্জন দাস।

উল্লেখ্য, আগামী ১৮ জানুয়ারী আইনজীবী সমিতির নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে। ভোট গ্রহন চলবে সকাল ৯টা বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত। এবারের নির্বাচনে ৩টি প্যানেল প্রতিদ্বন্ধিতা করছে। প্রতিদ্বন্ধি প্রার্থী রয়েছেন ৪০ জন।

1