জ্যোতির্ময় কবি প্রাকৃতজ শামিমরুমি টিটনের জন্মদিনে শুভেচ্ছা

1

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ টুয়েন্টি ফোর ডটকমঃ  লেখক: মোহাম্মদ অলিদ সিদ্দিকী তালুকদার
মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামীনের সৃষ্টিরাজির সর্বোত্তম এবং সর্বশ্রেষ্ঠ মানবজাতি। তাইতো মানুষ আশরাফুল মাখলুকাত। সুন্দরতম অবয়ব, জ্ঞান-বিজ্ঞান, বিবেক-বুদ্ধি, মেধা, মননশীলতা সবকিছু দিয়ে অনন্যভাবে সৃষ্টি করেছেন। মানব সৃষ্টির ব্যাপারে আল্লাহ বলেন, ‘আমি সৃষ্টি করেছি মানুষকে সুন্দরতর অবয়বে’ -সুরা আত তীন, আয়াত: ০৪। এই সৃষ্টির মধ্যে সবচেয়ে সুন্দরতম অবয়বে সৃষ্টি করা হয়েছে সর্বকালের সর্বশ্রেষ্ট নবী ও রাসূল হযরত মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম কে। রাসূলের কবি হাস্সান বিন সাবিত রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম এর প্রশংসায় বলেন, (যার কবিতানুবাদ)

” কোন চোখ দেখেনি কভু
তোমার চেয়ে সুন্দর কিছু
কোন নারী দেয়নি জন্ম
তোমার চেয়ে সুন্দর শিশু”।

একটা শত শূদ্ধ মানুষ শিশুর মতই সরল সুন্দর । নির্মল প্রকৃতির মত একজন সম্পর্কে বলতে গিয়ে কিছু খানিকটা প্রাসঙ্গিক ভূমিকা টানতে হলো ।

বলছিলাম প্রাকৃতজ শামিমরুমি টিটনের কথা । তিনি, একাধারে কবি সাহিত্যিক সঙ্গীতাঙ্গ সাংবাদিক ও জ্ঞান তাপস ।

শামিমরুমি টিটন একাধারে কবি, সাহিত্যিক, সাংবাদিক ও আবৃত্তিকার। বর্তমান আধুনিক বাংলা কবিতার অন্যতম মানবতাবাদী কবি। সাহিত্যে তিনি গণমুখী, নান্দনিক ও রোমান্টিক এক প্রেমের কবি । স্বাধীনতা সংগ্রাম থেকে শুরু করে বাংলার লোকায়ত জীবন সবই তাঁর লেখায় স্পষ্ট করে ফুটিয়ে তুলেছেন।

শামিমরুমি টিটনের লেখা সব ধরণের মানুষের পছন্দ। তথ্য ও ভাবনার রসদ পান সকল বয়সের পাঠক। বাংলা সাহিত্যে তাঁর সৃষ্টি ও কাজের ব্যাপ্তি একটি লেখায় বুঝানো সহজ নয়। তাঁর কবিতা বা প্রবন্ধ পড়েই কেবল মননের গভীরতা উপলব্ধি করা সম্ভব হতে পারে।

শুধু অসাধারণ লেখক নয়, উষ্ণ হৃদয়ের একজন প্রাণবন্ত মানুষ প্রাকৃতজ শামিমরুমি টিটন । সদা হাস্যময় ও প্রাণখোলা হৃদয়ের অধিকারী এবং প্রচন্ড আড্ডাবাজ। গল্পের আদলে কথা বলেন তিনি। তরুণদের কাছে টানেন আপনার বন্ধ করে। স্নেহ মায়া ভালোবাসা প্রেমে কোনটিতেই ঘাড়তি নেই তার । প্রবীনদের সাথে নবীন লেখকদের মেলবন্ধন সৃষ্টিতে তাঁর ভূমিকা অনস্বীকার্য।

শামিমরুমি টিটন গ্রামের মাটিতে জন্ম নিলেও রাজধানীর লেখক হিসেবে পরিচিত। তবে গ্রামীণ জনজীবনের প্রতি বরাবরই অকৃত্রিম টান অনুভব করেন। শুধু তাঁর গ্রাম নয়, পুরো দেশটা তিনি চষে বেড়িয়েছেন বারবার। কুমিল্লা জেলা উপজেলার দ্বেবিদার ( ১৯৭১ সালের ১০ মে তিনি জন্মগ্রহণ করেন। -) এখন রাজধানীর ধানমন্ডিতে তাঁর নিজ বাড়ি নাম ” প্রাকৃতজ ভূবন” ।

“আমাদের আদর্শিক পথ খুঁজে পাওয়ার জন্য । ব্যক্তি ও পেশাগত সত্তার বিকাশে যে উচ্চতর নৈতিক ও মানবিক আদর্শের প্রয়োজন হয় , তার জন্য আমাদেরকে বার বার ফিরে যেতে হবে বর্তমান সময়ের এই উজ্জ্বল আলোয়স্নাত
জ্যোতির্ময় কবি প্রাকৃতজ শামিমরুমি টিটনের কাছেই। ”আমার প্রিয় কবি ও সাহিত্যিক শামিমরুমি টিটন সম্পর্কে কিছু লিখতে পেরে আমি নিজেকে সৌভাগ্যবান মনে করছি। নানা গুণে গুণান্বিত বিশাল এই ব্যক্তিত্ব সম্পর্কে কিছু কথা, শুভ কামনা পাঠক সমাজে তুলে ধরতে পেরে আমি নিজেকে গর্বিত ও অহংকার বোধ করছি। বস্তুত আমাদের জীবন চলার পথে, সমাজ ও দেশ গঠনে শামিমরুমি টিটন আমাদের কাছে শিক্ষা গুরুর মতই চলার পথে আলোর দিশারী ।

“অভিভাবকত্ব কতটা দায়িত্বশীল হতে পারে, তাঁকে না দেখলে জানতে পারতাম না। জ্ঞান ও প্রজ্ঞার সাথে তাঁর মধ্যে মিলে মিশে একাকার হয়েছে পিতার হৃদয়। বিনয় ও কোমলতার মিলিত আচরণ তাঁকে দিয়েছে অতল গভীরতার স্নিগ্ধতা। বহুমাত্রিক লেখক , প্রাকৃতজ শামিমরুমি টিটন একজন দেশবরেণ্য শিক্ষাবিদ এবং আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন একজন জ্যোতির্ময় কবি । মেধা ও প্রতিভা তাঁর প্রকৃতিলব্ধ। তিনি প্রেমময় স্বামী। স্নেহময় বাবা। তিনি ধীর বিচক্ষণ ও প্রকান্ত । সহজ এবং অনাড়ম্বর কিন্তু শিরায় ইস্পাতের দৃঢ়তা, সত্যে তিনি অটল অবিচল ভয়হীন এক শুদ্ধ পুরুষ ।

প্রাকৃতজ শামিমরুমি টিটনের অনেক গুণ, বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য তাঁর আন্তরিকতা । মানুষকে কাছে টানে নেওয়ার এক জাদুকরির ক্ষমতা আছে তার চমৎকার বলতে পারেন । মানুষকে ঘন্টার পর ঘন্টা বিমুহিত করে রাখেন বক্তব্যে । তিনি পেশাগত জীবনে সাংবাদিকতা করেছেন স্বনামের সঙ্গে । এছাড়াও তিনি একজন লেখক, প্রকাশক, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন প্রকাশনা প্রতিষ্ঠান দি এ্যাটলার্স হাউস ও সেবা প্রিন্টার সহ একাধিক প্রতিষ্ঠানের পরিচালক । লিখেছেন স্কুল, কলেজ, বিশ্ববিদ্যালয়ের অসংখ্য পাঠ্য পুস্তকসহ অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ গ্রন্থ । এরমধ্যে উল্লেখযোগ্য হচ্ছে বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের একমাত্র পাঠ্য পুস্তক উচ্চাঙ্গ সঙ্গীত ও লঘুসঙ্গীতের লেখক ।

তিনি দায়িত্ব পালন করেছেন বহু গুণে গুণান্বিত হয়ে, এবং লিখেন,সভা সমিতিতে কথা বলেন, তিনি গ্রন্থমনস্ক কিন্তু তাঁর সব কাজে একটা নীরব ও সহজ স্বাচ্ছন্দ্য লক্ষ্য করি। তাঁকে অনেক সঙ্কট পার হতে হয়েছে, আমাদের সময় ও সমাজে কেই বা সঙ্কটমুক্ত নয়। কিন্তু আমি তাঁকে কখনোই শান্ত প্রাণবন্ততা ছাড়া দেখিনি। তাঁর মতো মিষ্টভাষী মানুষও কম পাওয়া যায়।”

পরিশেষে ” জ্যোতির্ময় কবি” প্রাকৃতজ শামিমরুমি টিটনের জন্মদিনে শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানিয়ে তাঁর জীবনের সর্বাঙ্গীন সফলতা কামনা করি এবং দোয়া করি আল্লাহ তায়ালা যেন তাঁকে দীর্ঘায়ু দান করেন আমীন

1