‘তরুণদের জাগিয়ে তুলবে সাকিবের ফিরে আসা’

1

ডেইলি নারায়ণগঞ্জ  টুয়েন্টিফোর ডটকম:    ২০১৭ টি-টোয়েন্টি, ২০১৮ ওয়ানডে ও ২০১৯ টেস্ট, একের পর জাতীয় দলের তিন ফরম্যাট থেকেই বাদ ইমরুল কায়েস। তার দলের বাইরে চলে যাওয়ার কারণ নিয়ে থাকে সবসময়ই ধোঁয়াশা। কখনো ইনজুরি আবার ফর্মহীনতায় তিনি বাদ পড়েন। তবে তা নিয়ে বিতর্ক থাকেই। কিন্তু লড়াই করে যখনই ফেরেন ব্যাট থেকে আসে সেঞ্চুরি। অন্যদিকে ঘরোয়া ক্রিকেটেও নিয়মিত পারফর্মার তিনি। এরপরও তার ক্রিকেট ক্যারিয়ার মসৃন নয়। সাদা পোশাকের ক্রিকেটে দেশের সেরা ওপেনারদের মধ্যে তার অবস্থান তৃতীয়। তামিম ইকবাল, জাভেদ ওমর বেলিমের পরই তার অবস্থান। এই ফরম্যাটে তিন সেঞ্চুরি আর ৪ হাফ সেঞ্চুরিতে করেছেন ১৭৯৭ রান।

শুধু তাই নয়, ওপেনিংয়ে তামিম ইকবালের সঙ্গে সেরা জুটিও তার। এবার যখন দল ওয়েস্ট ইন্ডিজে সিরিজ খেলতে প্রস্তুতি নিচ্ছে তখন দেশের মাটিতে ইমরুল ব্যস্ত ফিরে আসার লড়াইয়ে। বাংলাদেশ টাইগার্সে তিনি অনুশীলন করছেন আবারো জাতীয় দলে ফেরার লক্ষ্য নিয়ে। তবে প্রতিটি মুহূর্তে মিস করেন জাতীয় দলকে। সাকিব, তামিম, লিটন, মোস্তাফিজদের মতো ক্রিকেটারদের সঙ্গে খেলতে না পারাকে বড় আক্ষেপ মনে করেন ইমরুল। দৈনিক মানবজমিনকে তিনি বলেন, ‘জাতীয় দলে সাকিব, তামিম, লিটন, মোস্তাফিজ, শরিফুল, তাসকিন, আফিফদের মতো দারুণ সব ক্রিকেটার আছে এখন। যারা দলকে দারুণ শক্তিশালী করেছে। ওয়েস্ট ইন্ডিজে দেখবেন তারাই পারফর্মার। আমার আক্ষেপ তো আছেই তাদের মতো ক্রিকেটারদের সঙ্গে খেলতে পারছি না। খুব মিস করছি সাকিবের সঙ্গে খেলা। প্রায় দুই তিন বছর হয়েছে জাতীয় দলে খেলছি না।’ ক্যারিবীয়দের বিপক্ষে তিন ফরম্যাটের পূর্ণাঙ্গ সিরিজ খেলবে বাংলাদেশ দল। তবে টাইগারদের সামনে বড় চ্যালেঞ্জ এখন ব্যাটিং। সবশেষ দেশের মাটিতেও ৩৪ রানে পাঁচ ও ২৩ রানে চার উইকেট হারিয়ে ধুকেছে বাংলাদেশ। ওপেনিং জুটি যেন জমেই উঠছে না। আর ইমরুল বলেন, ‘আসলে কেউই চায় না আউট হতে। সবার চেষ্টা থাকে দলের জন্য অবদান রাখার। আমাদের মূল সমস্যা হলো নিয়মিত টেস্ট খেলতে না পারা। যখন টানা ৪ বা ৬ ম্যাচ খেলার সুযোগ হবে দেখবেন আমাদের ক্রিকেটাররাও ভালো করছে। এই ভাবে আউট হবে না, তারা একটা বা দুটি খারাপ করলেও পরেরগুলো দেখবেন ঠিকই ভালো করেছে।’ অন্যদিকে সাকিব আল হাসানের নেতৃত্বে ফেরাকে তরুণদের জন্য বড় পাওয়া বলে মনে করেন ইমরুল। তিনি বলেন, ‘আমরা সাকিবকে নিয়মিত পাই না। টেস্টে সে নিয়মিত না। তবে আবার দলে অধিনায়ক হয়ে ফিরেছে। এখন হয়তো তাকে পাওয়া যাবে। সে দারুণ একজন ক্রিকেটার। তাকে আমার থেকে ভালো আপনারা চেনেন। সে কেমন ধরনের অধিনায়ক। আমি সব সময় বলি ও মাঠে অনেক প্রো এক্টিভ ক্যাপ্টেন এবং ও যদি মাঠে থাকে অন্যান্য যারা তরুণ খেলোয়াড় থাকে ওদের জন্য আরও বেশি অনুপ্রেরণা হয় এবং সাকিবকে যদি আমরা সব সময় মাঠে পাই, আমি অবশ্যই বলবো বাংলাদেশ দলের জন্য এটা অনেক ভালো একটা দিক এবং ভালো হবে। আমি আশা করি এই সিরিজ থেকে সেটা শুরু হবে।’

1